প্রথম মাসেই বাম্পার সাফল্য! আয়ুষ্মান ভারতে কত কোটি টাকার ফ্রি চিকিৎসা পেলেন বাংলার মানুষ?

পশ্চিমবঙ্গে আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (Ayushman Bharat PM-JAY) চালুর এক মাস পূর্ণ হলো। আর প্রথম মাসেই এই প্রকল্পের হাত ধরে উঠে এল এক্কেবারে চমকপ্রদ এবং সফল সব তথ্য। রাজ্যের সাধারণ মানুষের কাছে স্বাস্থ্য পরিষেবা আরও সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যে গত ১৬ আগস্ট রাজ্যে এই প্রকল্পের সূচনা হয়েছিল। আর প্রথম মাসেই ঠিক কত মানুষ এর সুফল পেলেন, তার সম্পূর্ণ পরিসংখ্যান সোশ্যাল মিডিয়ায় সবিস্তারে তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

প্রথম মাসের উল্লেখযোগ্য সাফল্য ও পরিসংখ্যান
মুখ্যমন্ত্রীর শেয়ার করা তথ্য অনুযায়ী, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের প্রথম মাসেই রাজ্যে দারুণ সাড়া মিলেছে। খতিয়ানে উঠে এসেছে বেশ কিছু বড় হাইলাইট:

৫০ হাজারেরও বেশি ভর্তি: রাজ্যের বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আয়ুষ্মান ভারতের আওতায় হাসপাতালে ভর্তি হয়ে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা পেয়েছেন ৫০ হাজারেরও বেশি রোগী।

২৮ কোটি টাকারও বেশি চিকিৎসা খরচ বহন: এই এক মাসের মধ্যে উপভোক্তাদের প্রায় ২৮ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের জরুরি ও জীবনদায়ী চিকিৎসা সফলভাবে প্রদান করা হয়েছে।

রাজ্যের বাইরেও মিলল পরিষেবা: শুধু ঘরের কাছেই নয়, বাংলার বাইরে ভিনরাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে গিয়েও নির্বিঘ্নে চিকিৎসা পরিষেবা লাভ করেছেন বাংলার ১,১০২ জন রোগী।

ভিনরাজ্যের রোগীদের চিকিৎসা: সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার অঙ্গীকার বজায় রেখে এই এক মাসে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে অন্য রাজ্য থেকে আসা ১,৮৪৯ জন রোগীকেও চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হয়েছে।

সরকারের অঙ্গীকার ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন
স্বাস্থ্য যে প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার, তা পুনরায় স্মরণ করিয়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্যের সরকারি স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করা এবং দরিদ্র ও সাধারণ পরিবারের চিকিৎসার খরচ কমাতে রাজ্য সরকার সর্বদা বদ্ধপরিকর। যাতে সমাজের কোনো মানুষই চিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন, সেদিকেও কড়া নজর রাখা হচ্ছে।

পাশাপাশি, এই বিশাল কর্মযজ্ঞকে সফল করে তুলতে দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলা রাজ্যের সমস্ত চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী এবং প্রশাসনিক আধিকারিকদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *