“১৫ দিনেই বদলে গেল রূপ!”-বিগ বসে ঢুকেই কার চাল বানচাল করলেন জিতু কমল?

মাত্র ১৫ দিনেই রঙ বদলাতে শুরু করেছে ‘বিগ বস বাংলা সিজন ৩’-এর অন্দরমহল। দিন যত গড়াচ্ছে, বন্ধুত্বের মুখোশ খুলে প্রত্যেকেই নেমে পড়েছেন নিজের খেলায়। আর এই আবহে আগুনে ঘি ঢেলেছে দুই নতুন ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি—রাজবীর দে ও জিতু কমল। তাঁদের প্রবেশের পর থেকেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে বাড়ির সমস্ত পুরোনো সমীকরণ।
সোমবারে অনুষ্ঠিত হওয়া বহুল প্রতীক্ষিত ‘নমিনেশন ডে’-তে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রতিযোগীদের চরম নিয়মভঙ্গ ও অপেশাদার আচরণে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্বয়ং ‘বিগ বস’। বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও শৌচালয় ও রান্নাঘর অপরিষ্কার রাখা, মাইক ছাড়া কথা বলা এবং নিয়ম মেনে বাংলায় কথা না বলে প্রতিনিয়ত ইংরেজি শব্দের যথেচ্ছ ব্যবহারের মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠে বাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে।
প্রতিযোগীদের এই অনিয়মে তিতিবিরক্ত হয়ে ‘বিগ বস’ শোনান তাঁর চূড়ান্ত নির্দেশ। অধিনায়ক সোহিনী এবং সদ্য ঘরে আসা ওয়াইল্ড কার্ড প্রতিযোগী জিতু কমল ছাড়া বাকি সমস্ত সদস্যকেই সরাসরি চলতি সপ্তাহের জন্য নমিনেট করে দেন তিনি। আচমকা এমন ঘোষণায় হতবাক হয়ে পড়েন সবাই।
তবে গল্পের আসল ক্লাইম্যাক্স তখনও বাকি ছিল। ‘বিগ বস’ একটি বিশেষ ক্ষমতা অর্থাৎ ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ তুলে দেন জিতু কমলের হাতে। এই বিশেষ ক্ষমতার জোরে নমিনেটেড প্রতিযোগীদের মধ্যে থেকে যেকোনো একজনকে নিরাপদ করার সুযোগ পান জিতু।
View this post on Instagram
সবাই যখন জল্পনায় ব্যস্ত, ঠিক তখনই চমক দেন জিতু কমল। বাড়ির অন্যান্য পুরানো সদস্যদের পাশ কাটিয়ে তিনি সুরক্ষিত করার জন্য বেছে নেন অপর ওয়াইল্ড কার্ড প্রতিযোগী রাজবীর দে-কে। নিজের এই সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে জিতু জানান, রাজবীর একাধিক ভুল করলেও ‘বিগ বস’-এর দেখানো পথে হেঁটে তিনি তাঁকে শুধরে যাওয়ার আরও একটি সুযোগ দিতে চান।
জিতুর এই এক চালেই কার্যত বদলে গিয়েছে খেলার পুরো গতিপথ। এখন দেখার, এই শাস্তির পর বাড়ির বাকি সদস্যরা কীভাবে টিকে থাকার লড়াই চালিয়ে যান।