‘উনি সব মেয়েকেই এমন মেসেজ করেন!’ উঠতি সোশ্যাল মিডিয়া তারকার সঙ্গে এজাজের লজ্জাজনক চ্যাট প্রকাশ্যে!

বিতর্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না ‘বিগ বস ৭’ খ্যাত প্রতিযোগী ও অভিনেতা এজাজ খানের। এবার তাঁর বিরুদ্ধে এক উঠতি কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে প্রাইভেট মেসেজ পাঠিয়ে কফি অথবা মদ্যপানের প্রস্তাব দেওয়ার অত্যন্ত গুরুতর অভিযোগ উঠল। নয়ডার বাসিন্দা নিয়তি নামের ওই সোশ্যাল মিডিয়া ক্রিয়েটর ইনস্টাগ্রামে চ্যাটের স্ক্রিনশট এবং এজাজের পাঠানো ভয়েস নোট ফাঁস করে একটি ভিডিও শেয়ার করতেই তা মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।

কীভাবে শুরু হয়েছিল চ্যাট?

ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিও অনুযায়ী, প্রথমে এজাজ খান একটি সাধারণ ‘এই যে’ মেসেজ পাঠান। এরপর নিয়তি কোথায় থাকেন জানতে চাইলে তিনি উত্তর দেন ‘নয়ডা’। সঙ্গে সঙ্গে এজাজ জানান যে তিনি বর্তমানে দিল্লিতে আছেন এবং নিয়তিকে দেখা করার প্রস্তাব দেন। নিয়তি যখন জানতে চান “কী উদ্দেশ্যে দেখা করতে চান?”, তখন এজাজ একটি ভয়েস নোট পাঠান।

ফাঁস হওয়া সেই ভয়েস নোটে অভিনেতা স্পষ্ট গলায় বলছেন, “হ্যালো, কেমন আছো? আমি দিল্লিতে আছি, তোমার সময় থাকলে আমরা দেখা করতে পারি। একসঙ্গে কফি বা মদ খাওয়া যেতে পারে।”

ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন নেটিজেনরা

ভিডিওতে নিয়তি জানান, ইনস্টাগ্রামে প্রায় ৫৮ লাখ (৫.৮ মিলিয়ন) ফলোয়ার থাকা একজন অভিনেতা তাঁকে মেসেজ করায় তিনি প্রথমে অবাক হয়েছিলেন। কারণ তাঁর নিজের অ্যাকাউন্ট খুব বড় নয় বা কোনো ভিডিও ভাইরালও হয়নি। তবুও কৌতূহলবশত তিনি রিপ্লাই দেন। নিয়তির কথায়, “মানুষ এতটাই জঘন্য হতে পারে! আমার অ্যাকাউন্ট মোটেও জনপ্রিয় নয়, তাও উনি আমাকে মেসেজ করছেন। এটা থেকেই বোঝা যায় আমি একা নই, উনি নিশ্চয়ই এমন আরও অনেক মেয়েকে একইভাবে মেসেজ করে চলেছেন।”

ভিডিওটি ভাইরাল হতেই কমেন্ট বক্সে সাধারণ মানুষ ও নেটিজেনদের ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, “ওঁর দৃষ্টিভঙ্গি আর মেসেজ করার পদ্ধতিটা অত্যন্ত অদ্ভুত এবং অস্বস্তিকর। নিজেকে সাবধানে রাখবেন, এটা প্রকাশ করে খুব ভাল করেছেন।” অন্য একজন মন্তব্য করেছেন, “আপনি একা নন, উনি সব মেয়েকেই এভাবে মেসেজ করেন।”

নিয়তির আনা এই গুরুতর অভিযোগ ও ভাইরাল চ্যাট নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল ঝড় উঠলেও, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত অভিনেতা এজাজ খানের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে কোনো বক্তব্য বা সাফাই দেওয়া হয়নি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *