জার্মানির আকাশে রাশিয়ার গুপ্তচরবৃত্তি! পুতিনের এই চালে ন্যাটোর ভাঁড়ারে কি ফুরোলো অস্ত্র?

ইউক্রেন যুদ্ধকে ছাপিয়ে এবার কি তবে আরও এক ভয়ংকর মহাযুদ্ধের মুখে দাঁড়িয়ে পুরো বিশ্ব? ইউরোপের মাটিতে হু হু করে বাড়ছে রাশিয়ার আগ্রাসন। জার্মানির গুরুত্বপূর্ণ লেপজিগ বিমানবন্দরে বিস্ফোরক বোঝাই রুশ ড্রোনের হামলা থেকে শুরু করে ইউরোপজুড়ে সাইবার অ্যাটাক এবং পার্সেল বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ভ্লাদিমির পুতিনের এই গোপন চালে ন্যাটোর অন্দরে এখন ত্রাহি ত্রাহি রব।
কেন বাড়ছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা? বিস্ফোরক তথ্য:
ইউরোপীয় গোয়েন্দা রিপোর্ট ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ বারুদের স্তূপের মতো:
-
জার্মানির বিমানবন্দরে রুশ ড্রোন হানা: লেপজিগ বিমানবন্দরে পর পর ড্রোন হামলার পিছনে যে রুশ গুপ্তচররাই রয়েছে, তা নিশ্চিত করেছেন জার্মান গোয়েন্দারা। যাত্রীবাহী বিমান ও পণ্যবাহী বিমান উড়িয়ে দেওয়ার চক্রান্ত ধরা পড়ায় বন শহরে অবস্থিত রুশ দূতাবাস বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
-
রাশিয়ার অস্ত্র উৎপাদনের রেকর্ড গতি: ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেই মিসাইল, গোলাগুলি ও ড্রোন উৎপাদনে ন্যাটোর দেশগুলিকে বহু পিছনে ফেলে দিয়েছে মস্কো। ২০৩০ সালের মধ্যে সমগ্র ইউরোপকে টার্গেট করার পরিকল্পনা রয়েছে পুতিনের।
-
ন্যাটোর অস্ত্র সংকট ও আমেরিকার হুঁশিয়ারি: দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে ইউরোপ টিকতে পারবে কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন যে ইউরোপকে নিজের প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা নিজেকেই করতে হবে। ন্যাটোর ভাঁড়ারে দূরপাল্লার মিসাইল এবং আধুনিক ড্রোনের মারাত্মক ঘাটতি রয়েছে।
রাশিয়া এবং ইউরোপীয় দেশগুলির এই ‘হাইব্রিড ওয়ার’ বা গুপ্ত যুদ্ধের জেরে বিশ্ব রাজনীতিতে এখন চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে।