কাঁচি ধাম থেকে গুজরাট— অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী नीम करौली বাবা আসলে কোন কোন পথে হেঁটেছিলেন?

বিশ্বজুড়ে অগাধ ভক্ত ও অনুগামী রয়েছে প্রখ্যাত আধ্যাত্মিক গুরু नीम करौली बाबा-র। স্টিভ জবস থেকে শুরু করে মার্ক জুকারবার্গ— বহু বিদেশি ব্যক্তিত্বও তাঁর দর্শনে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। সম্প্রতি তাঁর জীবন ও আদর্শের ওপর তৈরি ছবি ‘হনুমান অংশ’ চর্চায় আসার পর, এই রহস্যময় সাধুর জীবন এবং তাঁর ভ্রমণ নিয়ে নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মনে।

ছোটবেলায় ঘর ছেড়ে আধ্যাত্মিক সাধনা

উত্তরপ্রদেশের ফিরোজাবাদ জেলার আকবরপুর গ্রামে জন্ম নেওয়া লছিমণ নারায়ণ শর্মা ছোট থেকেই ছিলেন অত্যন্ত আধ্যাত্মিক এবং ভগবান হনুমানের পরম ভক্ত। মাত্র ১৭ বছর বয়সে সংসারের মায়া ত্যাগ করে ঈশ্বরের খোঁজে ঘর ছেড়েছিলেন তিনি। উত্তর ভারতজুড়ে ভ্রমণ করার সময় তিনি বিভিন্ন প্রান্তে সাধনা করেন এবং ভক্তদের কাছে ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত হন।

  • ফারুখাবাদ ও नीम करौली गांव: ফারুখাবাদের কাছে একটি ছোট গ্রামে তিনি কিছু সময় কাটিয়েছিলেন। কথিত আছে, बिना টিকিটে ট্রেনে ওঠার পর টিটিই তাঁকে ট্রেন থেকে নামিয়ে দিলে ট্রেনটি আর এগোয়নি। শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়ে তাঁকে ট্রেনে বসানোর পর ট্রেন চলে। এই ঘটনার পরেই তাঁর নাম হয় नीम करौली बाबा।

  • গুজরাট: গুজরাটের বাভানিয়া এবং মোরবিতে তিনি দীর্ঘদিন তপস্যা করেছিলেন। সেখানে ভক্তরা তাঁকে ‘তলাইয়া বাবা’ নামে ডাকতেন।

  • উত্তরাখণ্ডের কেচি ধাম: নৈনিতালের কাছে ভুবালি এবং বিখ্যাত কেচি ধাম তাঁর প্রধান আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হয়ে ওঠে। বর্তমানে এই আশ্রমটি দেশ-বিদেশের লাখ লাখ ভক্তের কাছে বড় তীর্থক্ষেত্র।

  • হিমাচল প্রদেশ ও অন্যান্য: হিমাচলপ্রদেশের সিমলার সংকট মোচন মন্দিরেও তিনি কুটিরে থেকে সাধনা করেছেন। এছাড়া বৃন্দাবন, হরিদ্বার ও দিল্লির বিভিন্ন স্থানে তাঁর অলৌকিক লীলার কথা আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *