পুলিশের নোটিস পেয়েও হাজিরা এড়ালেন প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীর! কি কারণে পিছোল জেরা?

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে পুলিশ ও পুর আধিকারিকদের ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তীব্র রাজনৈতিক শোরগোলের মাঝে এবার নাটকীয় মোড়। ডেরেক ও’ব্রায়েন, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের পাশাপাশি প্রাক্তন আইপিএস আধিকারিক তথা তৃণমূল নেতা হুমায়ুন কবীরকেও নোটিস দিয়েছিল শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ। গত ৯ সেপ্টেম্বর তাঁকে থানায় তলব করা হলেও শেষ পর্যন্ত তিনি হাজিরা দিচ্ছেন না বলেই সূত্রের খবর।
জানা গিয়েছে, পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারণে হাজিরা দেওয়ার দিন পরিবর্তনের জন্য সময় চেয়েছেন হুমায়ুন কবীর। এই বিষয়ে পুলিশের কাছে তাঁর তরফ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল যে নির্ধারিত দিনে তিনি উপস্থিত থাকতে পারছেন না। এরপর পুলিশের পক্ষ থেকে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর দুপুর দুটোয় নতুন সময় ধার্য করা হয়েছে।
ঠিক কী কারণে নোটিস?
অবৈধ বিলবোর্ড খোলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরসভা ও পুলিশকে হেনস্তা করার গুরুতর অভিযোগে এর আগে ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়দের নোটিস পাঠানো হয়েছিল। সেই একই ঘটনায় এবার প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকেও ফেঁদেছে পুলিশ। গত শনিবার রাতে শেক্সপিয়র সরণি থানার একদল অফিসার তাঁর বাড়িতে হানা দিলেও সেই সময় নোটিস দেওয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে রবিবার সকালেই কসবা থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ফের প্রাক্তন আইপিএসের বাড়িতে পৌঁছয় শেক্সপিয়ার সরণি থানার পুলিশ আধিকারিকরা। এর আগেও দু’বার তাঁর বাড়িতে নোটিস দিতে গিয়ে দেখা মেলেনি। অবশেষে রবিবার তাঁর চালকের হাতে তলবি নোটিসটি তুলে দেওয়া হয়। ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডের জেরে পুলিশি জেরার মুখে এই প্রাক্তন আইপিএস নেতার পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই এখন রাজনৈতিক মহলের নজর রয়েছে।