নির্বাচনী প্রচারে বেজায় বিপাকে প্রার্থীরা! প্রতীক হিসেবে ‘চপ্পল’ পেতেই শুরু হলো তুমুল হাঙ্গামা।

রাজস্থানে আসন্ন निकाय নির্বাচন (Municipal Election) ঘিরে রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে। তবে ভোটের লড়াইয়ের ময়দানে নামার আগেই এক অদ্ভুত ও চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে দৌসা জেলায়। সেখানে বেশ কয়েকজন নির্দল প্রার্থীকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রতীক বা ‘নির্বাচনী চিহ্ন’ হিসেবে ‘চপ্পল’ বরাদ্দ করা হয়েছে। আর এই প্রতীক পাওয়ার পরেই প্রার্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন এবং এটিকে নিজেদের জন্য চরম অশুভ বলে দাবি করছেন।
কেন তৈরি হলো এই বিতর্ক?
জানা গিয়েছে, প্রার্থীরা যখন মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন, তখন অনেকেই নিজেদের পছন্দমতো প্রতীকের নাম দিয়েছিলেন। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত তালিকার বাইরে থাকা পছন্দসই প্রতীক বরাদ্দ করা সম্ভব হয়নি। এদিকে, কমিশনের অনুমোদিত তালিকার প্রথম নম্বরে ‘আলমারি’ এবং দ্বিতীয় নম্বরে ‘চপ্পল’ থাকায় বেশিরভাগ নির্দল প্রার্থীর কপালেই জিতেছে এই ‘চপ্পল’ প্রতীক। প্রার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন যে, চপ্পলকে নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে রাখা উচিত হয়নি। তাঁদের সাফ দাবি, এটি তাঁরা কোনোভাবেই শুভ বলে মনে করছেন না এবং তাঁদের জোর করে এই প্রতীক চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
প্রশাসনের স্পষ্ট জবাব
এই পুরো বিতর্ক ও অসন্তোষের বিষয়ে মুখ খুলেছেন রিটার্নিং অফিসার সঞ্জু মীনা। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট গাইডলাইন এবং নিয়ম মেনেই সমস্ত প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, কিছু প্রার্থী এমন কিছু প্রতীকের নাম ফর্মে লিখে দিয়েছিলেন যা কমিশনের অনুমোদিত ৪০টি চিহ্নের তালিকার মধ্যেই ছিল না। ফলে তাঁদের পছন্দমতো চিহ্ন দেওয়া সম্ভব হয়নি। সেই কারণেই সিরিয়াল নম্বর অনুযায়ী প্রার্থীদের প্রতীক দেওয়া হয়েছে, যেখানে প্রথম জন ‘আলমারি’ এবং দ্বিতীয় জন ‘চপ্পল’ প্রতীক পেয়েছেন।
ভোটের ময়দানে নামার আগেই প্রতীক নিয়ে প্রার্থীর এই অসন্তোষ এবং হইচই এখন শুধু দৌসা নয়, পুরো রাজস্থান জুড়েই এক বড় আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে।