মৃত ঘোষণা করে হাতে ধরিয়ে দেওয়া হলো ডেথ সার্টিফিকেট! তারপর যা দেখা গেল, তাতে ভিরমি খেলেন ডাক্তাররাও!

চিকিৎসকদের চূড়ান্ত গাফিলতিতে মৃত ঘোষণা করার পরও বেঁচে উঠলেন এক প্রৌঢ় রোগী। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের রেওয়ার ঐতিহ্যবাহী সঞ্জয় গান্ধী হাসপাতালে। এই কাণ্ড প্রকাশ্যে আসতেই হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
ঠিক কী ঘটেছিল হাসপাতালে? সূত্রের খবর, গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে অসুস্থ অবস্থায় ৬৬ বছর বয়সি গিরजा प्रसाद গুপ্তাকে ওই হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এমনকি মৃত্যুর সমস্ত প্রয়োজনীয় कागजी প্রক্রিয়া ও ডেথ সার্টিফিকেট তৈরি করে তাঁর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। শোকস্তব্ধ পরিবার কান্নাকাটি করতে করতে মৃতদেহ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য শ্মশানের গাড়ি এবং প্রয়োজনীয় পারিপার্শ্বিক বন্দোবস্তও করে ফেলে।
অলৌকিক প্রত্যাবর্তন ও চিকিৎসকদের সাফাই: ঠিক যখন মৃতদেহ অ্যাম্বুলেন্সে তোলার প্রস্তুতি চলছিল, তখন পরিবারের এক সদস্য খেয়াল করেন রোগীর শরীরে অদ্ভুত এক মৃদু স্পন্দন ও শ্বাসপ্রশ্বাস চলছে। তড়িঘড়ি ডাক্তারদের খবর দেওয়া হলে তাঁরা এসে পরীক্ষা করে দেখতে পান যে রোগী সত্যিই জীবিত! মুহূর্তের মধ্যে হাসপাতালের অন্দরে হাড়হিম করা উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। आनন-পালনে রোগীকে আবার আইসিইউ বা ওয়ার্ডে ফিরিয়ে নিয়ে চিকিৎসা শুরু হয়।
একজন জীবিত মানুষকে কীভাবে মৃত বলে ঘোষণা করা হলো এবং প্রয়োজনীয় নাড়ী বা স্পন্দন পরীক্ষা না করেই কীভাবে ডেথ সার্টিফিকেট দেওয়া হলো, তা নিয়ে এখন বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান (HOD) ড. পি কে বাঘেল এই ঘটনার সাফাই দিলেও দায়িত্বজ্ঞানহীন এই চিকিৎসাকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।