বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর লাগাতার নির্যাতন চলছে! বিস্ফোরক অভিযোগ তুলল আওয়ামী লিগ

গত ২০২৪ সালের আগস্ট মাস থেকে সারা বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা ব্যাপক বৈষম্য ও নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লিগ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (X) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দলটি দাবি করেছে যে, সংখ্যালঘুদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা, পদোন্নতি আটকে দেওয়া, সরকারি চাকরিতে অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা জারি এবং তাদের বাড়িঘর, জমি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত হিন্দু শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী এবং তাঁর পুরো পরিবারের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে আওয়ামী লিগ জানিয়েছে, এই ঘটনার পর সরকারের নিষ্ক্রিয়তা প্রমাণ করে যে দেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর চলা নিপীড়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে। দলটির অভিযোগ, বর্তমান শাসকগোষ্ঠী ও তাদের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার প্রত্যক্ষ মদদেই এই ধরনের সাম্প্রদায়িক ঘটনা ঘটে চলেছে, যা নিয়ে দেশের বিভিন্ন মানবাধিকার ও ধর্মীয় সংগঠন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ: এদিকে সম্প্রতি জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ মন্তব্য করেন যে, ঢাকার ঢাকেশ্বরী মন্দিরের একটি বড় অংশের জমি একসময় আওয়ামী লিগের দখলে ছিল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই দাবিকে সম্পূর্ণ “মিথ্যা” বলে উড়িয়ে দিয়েছে আওয়ামী লিগ। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার না করে সরকারের উচিত দেশের প্রতিটি সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অধিকার ও সার্বিক জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার দিকে মনোযোগ দেওয়া।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *