ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দিতে ৩০০০ টাকার ঘুষ! উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে ফাঁদ পেতে হাতেনাতে ধরা মর্গ অ্যাসিস্ট্যান্ট

ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাইয়ে দেওয়ার নামে দেদার তোলাবাজি! নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে বড়সড় অভিযান চালাল দুর্নীতি দমন শাখা (ACB)। হাসপাতাল চত্বরে ফাঁদ পেতে ট্র্যাপ অপারেশন চালিয়ে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হলো এক মর্গ অ্যাসিস্ট্যান্টকে। এই ঘটনায় গোটা হাসপাতাল চত্বরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
এসিবি সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হস্তান্তরের বিনিময়ে ৩ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেছিলেন অভিযুক্ত বাবুল মল্লিক। অভিযোগকারীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এসিবি আধিকারিকরা উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ চত্বরে ওত পেতে থাকেন। এরপর অভিযোগকারীর কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা নেওয়ার ঠিক মুহূর্তেই তাঁকে হাতেনাতে পাকড়াও করা হয়। এই দুর্নীতির চক্রের সঙ্গে আর কারা কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখতে এখন জোরদার তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন শাখা।
হাসপাতালের এই ঘটনায় এসিবি-র পদক্ষেপকে সম্পূর্ণ সাধুবাদ জানিয়েছেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সুপার কৌশিক ঈশোর। তিনি জানান, “ঘুষ নিতে গিয়ে একজন কর্মচারীর হাতেনাতে ধরা পড়ার খবরে আমি নিজে ভীষণ খুশি। ভবিষ্যতে এই ধরনের দুর্নীতি দূর করতে কড়া পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।”
দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র এক মাসের মধ্যে হাসপাতালের সিন্ডিকেট ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন সুপার। তাঁর কড়া পদক্ষেপের জেরে অভিযুক্ত কর্মীরা তাঁকে ঠাট্টা করে ‘শো-কজ সুপার’ বলেও ডাকেন। তবে শুধু মর্গ অ্যাসিস্ট্যান্টই নন, হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্ক, টিকিট কাউন্টার এবং রোগী ভর্তির নামে চলা দুর্নীতির সমস্ত শেকড় উপড়ে ফেলতে প্রস্তুত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ভবন এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে সম্পূর্ণ রিপোর্ট পাঠানো হচ্ছে, যাতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর বিভাগীয় সাসপেনশন বা বরখাস্তের পদক্ষেপ নেওয়া যায়।
ভাইরাল ও ক্লিকযোগ্য শিরোনাম (যেকোনো একটি বেছে নিতে পারেন):
১. ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দিতে ৩ হাজার টাকার ঘুষ! উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে এসিবি-র জালে হাতেনাতে ধরা মর্গ কর্মী ২. ‘শো-কজ সুপার’-এর কড়া নজরদারি! উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে ঘুষ নিতে গিয়ে ফাঁদে পড়লেন মর্গ অ্যাসিস্ট্যান্ট ৩. মৃতের রিপোর্ট দিতেও টাকা! উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে বড়সড় ট্র্যাপ অপারেশনে গ্রেফতার দুর্নীতিবাজ কর্মী