মর্নিং ওয়াকে সামনে নয়, পিছন দিকে হাঁটেন? এই আজব অভ্যাসে মিলবে ১০ গুণ বেশি ম্যাজিক!

ফিট থাকতে এবং শরীরকে চাঙ্গা রাখতে প্রতিদিন সকালে মর্নিং ওয়াক বা হাঁটার অভ্যাস রয়েছে কমবেশি সকলেরই। চিকিৎসকরাও নিয়মিত হাঁটার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কিন্তু আপনি কি কখনো শুনেছেন সোজা হাঁটার পাশাপাশি পিছন দিকে হাঁটারও রয়েছে দুর্দান্ত কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা? সাম্প্রতিক কিছু স্বাস্থ্য সমীক্ষায় দাবি করা হয়েছে, প্রতিদিনের মর্নিং ওয়াকের রুটিনে যদি একটু বদল এনে সামনের পরিবর্তে পিছন দিকে হাঁটা যায়, তবে তার সুফল মিলতে পারে প্রায় ১০ গুণ বেশি!
পিছন দিকে হাঁটার অবিশ্বাস্য উপকারিতাগুলি কী কী?
পেশির শক্তি বৃদ্ধি পায়: সামনের দিকে হাঁটার সময় আমাদের শরীরের যে পেশিগুলি সক্রিয় থাকে, তার থেকে অনেকটাই আলাদা পেশির ব্যবহার হয় পিছন দিকে হাঁটার সময়। বিশেষ করে হ্যামস্ট্রিং, পায়ের পাতার পেশি এবং কোয়াড্রিসেপস অত্যন্ত শক্তিশালী হয়ে ওঠে।
হাঁটু ও জয়েন্টের ব্যথা কমায়: হাঁটুর ব্যথায় যারা দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন, চিকিৎসকদের মতে তাদের জন্য পিছন দিকে হাঁটা অত্যন্ত উপকারী একটি ব্যায়াম। এটি হাঁটুর ওপর চাপ কমিয়ে জয়েন্টগুলির নমনীয়তা বৃদ্ধি করে।
ভারসাম্য ও মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়: স্বাভাবিকের উল্টো দিকে হাঁটার সময় শরীরকে ভারসাম্য বজায় রাখতে একটু বেশি মনোযোগ দিতে হয়। এর ফলে মস্তিষ্কের কোষগুলি সক্রিয় হয় এবং শরীরের চালিকাশক্তির ভারসাম্য উন্নত হয়।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, রাস্তায় হাঁটার সময় দুর্ঘটনা এড়ার জন্য কোনো নিরাপদ খোলা পার্ক বা ঘরের ভেতরে ফাঁকা জায়গায় অন্তত কয়েক মিনিট পিছন দিকে হাঁটার অভ্যাস করা যেতে পারে। সামান্য এই ছোট্ট পরিবর্তনেই শরীর পেতে পারে অভাবনীয় সুস্থতা।