সঞ্জুকে বাদ দিয়ে বড় মাস্টারস্ট্রোক গম্ভীরের! ২০২৭ বিশ্বকাপের আগে মিডল অর্ডারে কোন চমক আনছেন কোচ?

আগামী ২০২৭ সালের একদিনের বিশ্বকাপকে লক্ষ্য করে এখন থেকেই আঁটসাঁট বেঁধে নামল ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। কোচ গৌতম গম্ভীর এবং প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকার ভবিষ্যতের দল গঠনে বড়সড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছেন। শোনা যাচ্ছে, উইকেটরক্ষক-ব্যাটার সঞ্জু স্যামসন নন, বরং মিডল অর্ডারে সহ-অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ারের বিকল্প বা ব্যাকআপ হিসেবে তরুণ তুর্কি তিলক ভার্মাকে প্রস্তুত করা হচ্ছে।
কেন তিলকের ওপর ভরসা রাখছে টিম ম্যানেজমেন্ট?
বিসিসিআই সূত্রে খবর, বর্তমান ভারতীয় দলে ডানহাতি ব্যাটারের ছড়াছড়ি। এই পরিস্থিতিতে তিলক ভার্মার বাঁহাতি ব্যাটিং স্টাইল মিডল অর্ডারে দলের ব্যাটিং লাইনআপে এক দারুণ ভারসাম্য এনে দেবে। শুধু তাই নয়, আধুনিক ক্রিকেটের চাহিদার কথা মাথায় রেখে টিম ম্যানেজমেন্ট তিলককে শুধু ব্যাটার হিসেবে নয়, বরং একজন পার্ট-টাইম অফ-স্পিনার হিসেবেও নিজেদের ঝালিয়ে নিতে বলেছে।
গম্ভীরের নতুন স্ট্র্যাটেজির নেপথ্য কারণ কী?
হার্দিক পান্ডিয়া বা নীতিশ কুমার রেড্ডির মতো অলরাউন্ডারদের বারবার চোট পাওয়াটা ভারতীয় দলের জন্য দীর্ঘকাল ধরেই বড় মাথাব্যথার কারণ। টপ বা মিডল অর্ডারের ব্যাটাররা যদি বল হাতে অন্তত চার ওভার করে দিতে পারেন, তবে তা মূল বোলারদের ওপর থেকে চাপ অনেকটাই কমিয়ে দেয়। আর সেই কারণেই এমন একজন ব্যাটারকে খোঁজা হচ্ছে যিনি দলের প্রয়োজনে বল হাতেও অবদান রাখতে পারেন।
সিনিয়র ক্রিকেটারদের অনেকেই তাঁদের কেরিয়ারের শেষ পর্যায়ে থাকায়, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার ওপর জোর দিয়েই এগোচ্ছেন গম্ভীর ও আগরকার জুটি। আগামী দিনে ভারতের এই নতুন রণকৌশল কতটা সফল হয়, সেটাই এখন দেখার!
বিশেষ দ্রষ্টব্য: ২০২৭ সালের বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যেই এখন থেকে তরুণ প্রতিভাদের নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা শুরু করে দিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট।