কেজিএফ-এর ম্যাজিক কি ফিকে হয়ে গেল? যশ ভক্তদের মনেও যে ৫টি কারণে বড় ধাক্কা দিল ‘টক্সিক’

‘কেজিএফ টু’-এর ঝোড়ো সাফল্যের পর সিলভার স্ক্রিনে রকিং স্টার যশের প্রত্যাবর্তন মানেই সিনেমাপ্রেমীদের কাছে একটা আলাদা উন্মাদনা। পরিচালক গীতু মোহনদাসের পরিচালনায় যশের নতুন ছবি ‘টক্সিক’ বক্স অফিসে হইচই ফেলে দিলেও, ছবিটির অন্দরে থাকা কিছু গুরুতর ত্রুটি নিয়ে এখন সিনে মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। ছবিটিতে যশের মেগাস্টার প্রেজেন্স এবং অ্যাকশন সিকোয়েন্স ১০০ তে ১০০ পেলেও, বেশ কিছু দিক ঠিকঠাক সামলানো গেলে এটি সর্বকালের সমস্ত বক্স অফিস রেকর্ড ভেঙে দিতে পারত বলেই মনে করছেন সমালোচকরা।
চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘টক্সিক’-এর মুকুটে একাধিক সাফল্যের পালক থাকলেও, যে ৫টি বড় ভুল ছবিটিকে কিছুটা পিছিয়ে দিয়েছে তা একনজরে দেখে নেওয়া যাক:
-
আবেগীয় সংযোগের অভাব: ‘কেজিএফ’ কেবল মারপিট বা ধুন্ধুমার অ্যাকশনের ছবি ছিল না, তার নেপথ্যে ছিল এক আবেগঘন মায়ের প্রতিজ্ঞা যা দর্শকদের চোখের জল ফেলেছিল। কিন্তু ‘টক্সিক’-এ স্টাইল, চুরুট আর স্লো-মোশন শটের ছড়াছড়ি থাকলেও সেই নিখাদ আবেগের জায়গাটি কিছুটা ফাঁকাই থেকে গেছে, যার ফলে দর্শকের সঙ্গে ছবির গভীর সংযোগ তৈরি হতে কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে।
-
অতিরিক্ত অন্ধকার ও প্রাপ্তবয়স্কদের আবহ: ‘প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য রূপকথা’ ট্যাগলাইন নিয়ে তৈরি এই ছবিটিতে অতিরিক্ত মাত্রায় সহিংসতা ও অন্ধকারাচ্ছন্ন আবহ রাখা হয়েছে। কিন্তু ভারতের বক্স অফিসে ১০০০ কোটির ক্লাবে পৌঁছাতে হলে পরিবার ও ছোটদের নিয়ে সিঙ্গেল স্ক্রিন থিয়েটারগুলির যে ব্যাপক দর্শকসংখ্যা প্রয়োজন হয়, এই ছবির চড়া সুর ও চরম হিংসা সেই পারিবারিক দর্শকদের কিছুটা হলেও দূরে সরিয়ে দিয়েছে।
সব মিলিয়ে, যশের অসাধারণ অভিনয় দক্ষতা এবং দুর্দান্ত স্ক্রিন প্রেজেন্সের পরেও চিত্রনাট্য ও নির্মাণশৈলীর এই ছোটোখাটো ত্রুটিগুলি যদি এড়িয়ে যাওয়া যেত, তবে ছবিটি অন্য উচ্চতায় পৌঁছে যেতে পারত।