রক্ষাবন্ধনের দিনেই চন্দ্রগ্রহণ! অশুভ ছায়া কাটাতে এই ৫টি জিনিস দান করলেই মিলবে ভাগ্য বদলের সুযোগ?

চন্দ্রগ্রহণ ২০২৬: রক্ষাবন্ধনের দিনেই বছরের শেষ চন্দ্রগ্রহণ! গ্রহণের পর এই ৫টি জিনিস দান করলেই মিলবে মহা পুণ্য
চলতি বছরের দ্বিতীয় তথা শেষ চন্দ্রগ্রহণ হতে চলেছে আগামী ২৮ আগস্ট, শুক্রবার। বিশেষ কাকতালীয় বিষয় হলো, এই একই দিনে পালিত হবে পবিত্র রক্ষাবন্ধনের উৎসবও। এটি একটি আংশিক চন্দ্রগ্রহণ হবে, যা ভারতীয় সময় অনুসারে সকাল ৮টা ৪ মিনিট থেকে শুরু হয়ে বেলা ১১টা ২২ মিনিট পর্যন্ত চলবে। যদিও ভারতে এই গ্রহণ দৃশ্যমান হবে না, তাই এখানে কোনো সূতক কালও মান্য করা হবে না।
ধর্মীয় ও জ্যোতিষশাস্ত্রীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, যেকোনো গ্রহণের পর স্নান, পুজো এবং দান-ধ্যানের বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। এতে জীবনের নানা বাধা ও নেতিবাচক শক্তি কেটে গিয়ে পুণ্য লাভ হয়। জ্যোতিষ মতে, এই বিশেষ দিনে কোন ৫টি জিনিসের দান অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়, তা জেনে নেওয়া যাক:
-
অন্ন বা খাদ্য দান: গ্রহণ শেষের পর গরিব বা কোনো অভাবী মানুষকে চাল, গম, ডাল বা যেকোনো খাদ্যসামগ্রী দান করা অত্যন্ত পুণ্যজনক। ক্ষুধার্তকে অন্নদান করাকেই সর্বশ্রেষ্ঠ দান হিসেবে ধরা হয়।
-
সাদা রঙের বস্তু দান: জ্যোতিষে চন্দ্রকে মন ও শান্তির কারাক হিসাবে ধরা হয়। তাই চন্দ্রগ্রহণের পর চাল, দুধ, সাদা পোশাক বা এইজাতীয় সাদা জিনিস দান করলে মানসিক শান্তি ও চন্দ্রের শুভ ফল প্রাপ্তি ঘটে।
-
বস্ত্র দান: নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী পরিষ্কার এবং ব্যবহারযোগ্য জামাকাপড় কোনো দরিদ্র ব্যক্তিকে দান করলে বহু গুণ পুণ্য লাভ হয়।
-
তিলের দান: ধর্মীয় পরম্পরায় কালো বা সাদা তিল দান করার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। মনে করা হয়, গ্রহণ শেষের পর তিল দান করলে জীবনের সমস্ত নেতিবাচকতা ও অশুভ প্রভাব দূর হয়।
-
ধন বা ভোজন দান: সাধ্যমতো কোনো অভাবীকে টাকা বা খাবার দান করা অত্যন্ত ফলদায়ক। বিশেষ করে কাউকে খাবার খাওয়াতে পারলে তা অত্যন্ত মঙ্গলজনক বলে মনে করা হয়।