নিজস্ব সংস্কৃতি ও ভাষার অস্তিত্ব রক্ষায় ফের তীব্র প্রতিবাদ! জলপাইগুড়িতে রাজবংশী সম্প্রদায়ের অধিকারের দাবিতে গর্জে উঠলেন আন্দোলনকারীরা।

ভাষা ও জনজাতির সাংবিধানিক স্বীকৃতি, পৃথক কামতাপুর রাজ্যের দাবি এবং সমাজমাধ্যমে আপত্তিকর মন্তব্যের প্রতিবাদের পাশাপাশি কেএলও প্রধান জীবন সিংয়ের সঙ্গে দ্রুত শান্তি আলোচনার দাবিতে সোমবার জলপাইগুড়িতে এক বিরাট মিছিল করল কামতাপুর স্টেট ডিমান্ড কাউন্সিল। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পরিক्रমা করে মিছিলটি সরাসরি জেলাশাসকের দপ্তরে পৌঁছয় এবং প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি জমা দেয়।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে কামতাপুর রাজ্য ও কামতাপুরি ভাষার দাবিতে আন্দোলন চললেও সরকারের তরফ থেকে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। এ দিনের কর্মসূচি সেই দীর্ঘমেয়াদী আন্দোলনেরই একটি নতুন অধ্যায়। সংগঠনের নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়েছেন, অবিলম্বে দাবিদাওয়া নিয়ে আলোচনা না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে কামতাপুর স্টেট ডিমান্ড কাউন্সিল।
বিশেষ করে, কোচবিহারের ইতিহাস এবং রাজবংশী সম্প্রদায়কে নিয়ে সমাজমাধ্যমে লাগাতার ‘কুমন্তব্য’ ও আপত্তিকর মন্তব্যের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংগঠনের নেত্রীরা। তাঁদের অভিযোগ, বারবার এ ধরনের ঘটনা ঘটলেও পর্যাপ্ত প্রশাসনিক পদক্ষেপ করা হচ্ছে না। পাশাপাশি, কেএলও প্রধান জীবন সিংয়ের সঙ্গে কেন্দ্রের শান্তি প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করার দাবিও এ দিনের কর্মসূচিতে জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়।
সংবাদের মূল হাইলাইটস
মুখ্য দাবি: কামতাপুরি ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা এবং পৃথক কামতাপুর রাজ্যের গঠন।
সমাজমাধ্যমে প্রতিবাদ: রাজবংশী সম্প্রদায় ও তাদের ইতিহাস নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের জোরালো দাবি।
শান্তি আলোচনা: কেএলও প্রধান জীবন সিংয়ের সঙ্গে কেন্দ্রের আটকে থাকা শান্তি আলোচনা অবিলম্বে শুরু করার তাগিদ।
কর্মসূচি: জলপাইগুড়িতে কামতাপুর স্টেট ডিমান্ড কাউন্সিলের উদ্যোগে বিশাল মিছিল ও জেলাশাসকের দপ্তরে স্মারকলিপি পেশ।