চোখের পলকে গুঁড়িয়ে গেল সারি সারি দোকান! তারাতলায় পোর্ট ট্রাস্টের জমিতে হঠাৎ কেন এমন হুলুস্থুল কাণ্ড বাঁধল?

কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের মালিকানাধীন ওই জমিটি সম্প্রতি ‘কোকা-কোলা’ কোম্পানিকে দীর্ঘমেয়াদী লিজে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ওই জমিতে দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী ও অস্থায়ী অবৈধ দখলদারি থাকায় জমি হস্তান্তর বা মূল বাণিজ্যিক প্রকল্পের কাজ এগোনোর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ আটকে ছিল। এই পরিস্থিতিতে বকেয়া জবরদখল জমি সম্পূর্ণ দখলমুক্ত করতে প্রশাসনিক স্তরে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অভিযানের দিন একাধিক বুলডোজার নামিয়ে একের পর এক অবৈধ দোকান ও কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তারাতলা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে এবং উচ্ছেদ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।

ব্যবসায়ীদের প্রতিক্রিয়া ও পুনর্বাসনের দাবি

প্রশাসনিক এই কঠোর পদক্ষেপে রীতিমতো ভেঙে পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তাঁদের দাবি, তাঁরা দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ওই নির্দিষ্ট জমিতে ব্যবসা চালিয়ে নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। কিন্তু কোনো রকম পূর্ব বিকল্প ব্যবস্থা না করে হঠাৎ করে বুলডোজার চালিয়ে তাঁদের দোকান গুঁড়িয়ে দেওয়ায় রুটিরুজি মারাত্মক সংকটের মুখে পড়েছে। জীবিকা বাঁচানোর তাগিদে অনেকেই দ্রুত সরকারি পুনর্বাসনের জোরালো দাবি তুলেছেন।

ঘটনার প্রধান তথ্যসমূহ (Key Highlights):

অবৈধ দখলমুক্তি: কলকাতার তারাতলা ও জিনজিরা বাজার এলাকায় কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের জমিতে গড়ে ওঠা জবরদখল সরাতে বুলডোজার অভিযান চালানো হয়েছে।

দখলমুক্তির কারণ: নির্দিষ্ট ওই জমিটি ‘কোকা-কোলা’ সংস্থাকে লিজে দেওয়ায় এবং জবরদখলের কারণে মূল প্রকল্পের কাজ আটকে থাকায় এই উচ্ছেদ চালানো হয়।

পুলিশি পাহারা: যেকোনো ধরনের অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে তারাতলা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনীর উপস্থিতিতে পুরো উচ্ছেদ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষোভ: বহু বছর ধরে ব্যবসা করা দোকানগুলি ভেঙে দেওয়ায় চরম সংকটে পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এবং তাঁরা পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।

Editor001
  • Editor001

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *