সোনিয়া-রাহুলের সামনেই ‘বন্দে মাতরম’ থামানোর চেষ্টা? স্বাধীনতা দিবসের মঞ্চে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা!

স্বাধীনতা দিবসের পবিত্র লগ্নে রাজধানী দিল্লির কংগ্রেস সদর দফতরে ‘বন্দে মাতরম’ গানকে ঘিরে তৈরি হয়েছে চরম রাজনৈতিক বিতর্ক। বিজেপির তরফ থেকে সরাসরি অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, এই অনুষ্ঠানে গানটি সম্পূর্ণ গাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা দিয়েছিলেন সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী। এমনকি গানটি মাঝপথেই থামানোর চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও গেরুয়া শিবিরের দাবি। যদিও বিজেপির এই সমস্ত অভিযোগ একযোগে খারিজ করে দিয়ে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার বলে দাবি করা হয়েছে।

বিজেপির মারাত্মক অভিযোগ

স্বাধীনতা দিবসের দিন দিল্লির এআইসিসি (AICC) হেডকোয়ার্টারে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অন্যান্য প্রথাগত অনুষ্ঠান চলাকালীন এই ঘটনার সূত্রপাত হয়। বিজেপির একাধিক নেতা সামাজিক মাধ্যমে এবং বিভিন্ন মঞ্চ থেকে দাবি করেন যে, কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতেই ‘বন্দে মাতরম’ গানটি পুরো গাইতে দেওয়া হয়নি। তাঁদের অভিযোগ, জাতীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি জাতীয় গান গাওয়ার সময় সনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী অস্বস্তিতে পড়েন এবং গানটি থামানোর জন্য ইশারা করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক শোরগোল।

কংগ্রেসের পালটা জবাব

বিজেপির এই অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়ে হাত শিবির জানিয়েছে, বিরোধীরা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ফায়দা তোলার জন্য এই ধরনের অবাস্তব ও কুরুচিকর অপপ্রচার চালাচ্ছে। কংগ্রেসের স্পষ্ট বক্তব্য, স্বাধীনতা দিবসের মতো একটি জাতীয় অনুষ্ঠানে সব নিয়ম মেনেই কর্মসূচি পালিত হয়েছে এবং বিজেপি অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক তৈরি করে জনগণের নজর ঘোরাতে চাইছে।

স্বাধীনতা দিবসের মতো একটি দিনে জাতীয় গান অবমাননার অভিযোগে দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের এই দড়িটানাটানি এখন তুঙ্গে। এই বিতর্কের জল কতদূর গড়ায় এবং এর নেপথ্যের আসল সত্য কী, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে অন্তহীন জল্পনা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *