৭৫ মিনিটের ভাষণে কোথায় আটকে গেলেন প্রধানমন্ত্রী? মোদীর ভুল ধরাতেই তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা

ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকে দেওয়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ শানাল বিরোধী দলগুলি। গত চার বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত, প্রায় ৭৫ মিনিটের ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), সেমিকন্ডাক্টর, নকশালবাদ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (MSME) থেকে শুরু করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তাঁর বক্তব্যে উঠে এলেও, ভাষণের মাঝে কিছু অংশে তাঁর ইতস্তত করার মুহূর্তটিকে হাতিয়ার করেই সরব হয়েছে কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টি (AAP)।
২০১৪ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দেশের ‘বায়োইকোনমি’ বা জৈব-অর্থনীতির অগ্রগতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কিছুটা থমকে যেতে এবং লিখিত নোট বা কাগজ দেখতে দেখা যায়। সেই নির্দিষ্ট অংশের একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে তীব্র কটাক্ষ করেছেন কংগ্রেস নেতা পবন খেরা। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “টেলিপ্রম্পটার ছাড়া সুপারহিউম্যান”।
অন্যদিকে, ঠিক একই ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করে আপ (AAP) প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালও নরেন্দ্র মোদীকে আক্রমণ করেন। তিনি মন্তব্য করেন, “একজন আত্মবিশ্বাসহীন, নার্ভাস এবং কাঁপতে থাকা প্রধানমন্ত্রী।” উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী যেখানে প্রায় ৯০ মিনিট ধরে দেশবাসীকে উদ্দেশ করে বক্তব্য রেখেছিলেন, সেখানে এ বছরের তুলনামূলক সংক্ষিপ্ত ভাষণে নানা নতুন বিষয়ের পাশাপাশি ‘দিমাগি নকশাল’ প্রসঙ্গও তুলে ধরেছিলেন তিনি। আর সেই মন্তব্য এবং ভাষণের মাঝের হোঁচট খাওয়া নিয়েই এখন জাতীয় রাজনীতিতে তীব্র তরজা শুরু হয়েছে।