ফাঁকা রাস্তায় হুট করে হামাগুড়ি দুধের শিশুর! চালকের এক ফ্রেমে বড় বাঁচা গেল বড় বিপদ

চোখের পলকে ঘটতে পারত এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। ফাঁকা রাস্তায় হঠাৎই হামাগুড়ি দিতে দিতে একটি দুধের শিশু চলে এল দ্রুতগতির গাড়ির সামনে। কিন্তু চালকের তাৎক্ষণিক উপস্থিত বুদ্ধি এবং ড্যাশক্যামের দৌলতে শেষরক্ষা হয়েছে বড়সড় বিপদের হাত থেকে। নয়ডার একটি ব্যস্ত এলাকায় ঘটা এই ঘটনার রোমহর্ষক ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়ের বেগে ভাইরাল হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া সেই ড্যাশক্যাম ফুটেজে দেখা গেছে, একটি গাড়ি দ্রুতগতিতে ফাঁকা রাস্তা দিয়ে এগিয়ে চলেছে। তার সামনেই ছিল একটি মোটরসাইকেল। হঠাৎই রাস্তার মাঝখানে একটি ছোট শিশুকে হামাগুড়ি দিতে দেখেন চালক। গাড়ির জোরালো হেডলাইটের আলো চোখে পড়ায় শিশুটি থমকে গিয়ে রাস্তার ঠিক মাঝখানেই বসে পড়ে। একটুর জন্য বড় ধরনের ধাক্কা এড়িয়ে তৎক্ষণাৎ ব্রেক কষেন চালক এবং পেছনের বাইক আরোহীকেও সতর্ক করে দেন। চালকের এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্তে সেদিন অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যায় শিশুটি।
মহিলার রহস্যজনক আচরণ ঘিরে তীব্র জল্পনা
গাড়ি থামানোর পর চালক সজোরে হর্ন বাজাতে শুরু করেন। এরপর বেশ কিছুক্ষণ পর এক মহিলা অত্যন্ত নির্বিকার ভঙ্গিতে হেঁটে এসে রাস্তা থেকে শিশুটিকে তুলে নিয়ে যান। আর এখানেই দানা বেঁধেছে আসল রহস্য। নেটিজেনদের একাংশের মতে, এমন পরিস্থিতিতে কোনো অভিভাবক বা চেনা মানুষ থাকলে তিনি স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কিত হয়ে হন্তদন্ত হয়ে ছুটে আসতেন। কিন্তু ওই মহিলার শান্ত ও উদাসীন আচরণ ভিডিও দেখার পর থেকেই তীব্র সন্দেহের জন্ম দিয়েছে সাধারণ মানুষের মনে।
সামাজিক মাধ্যমে এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পরই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। নেটিজেনদের একাংশ আশঙ্কা প্রকাশ করে জানিয়েছেন, এটি কোনো সুপরিকল্পিত চক্র হতে পারে। গাড়ি চালককে ফাঁসিয়ে টাকা হাতানোর বা অপহরণের কোনো অসৎ উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন অনেকে। চালকের বুদ্ধিমত্তার প্রশংসা করার পাশাপাশি শিশুটির নিরাপত্তা এবং ওই মহিলার ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।