গ্রামবাংলার স্কুলগুলো কি তলানিতে? শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল দশা নিয়ে এবার পথে নামছেন অভিজিৎ দীপকে

দেশের স্বাধীনতা দিবসে এবার ভিন্ন এক লড়াইয়ের ডাক দিলেন সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপকে। শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল দশা এবং গ্রামের সরকারি স্কুলগুলোর পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি শুরু করতে চলেছেন এক বিশেষ প্রচারাভিযান— ‘স্কুল ঠিক করো’ (Fix the Schools)। আগামী ১৫ই আগস্ট, স্বাধীনতা দিবসের সকালে মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলির পিম্পরি থেকে এই আন্দোলনের সূচনা করবেন তিনি।
কেন এই নতুন প্রচারাভিযান?
ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে জোরালো আন্দোলনের পর এবার অভিজিৎ দীপকে স্কুলগুলোর বাস্তব পরিস্থিতির দিকে নজর দিয়েছেন। গত সোমবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি আক্ষেপের সুরে জানান, স্বাধীনতার এতগুলো দশক পার হয়ে গেলেও গ্রামের সরকারি স্কুলগুলো আজও চরম অবহেলিত। এই স্কুলগুলোর জরাজীর্ণ অবস্থা, শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধার অভাব এবং পরিকাঠামোগত সমস্যা প্রশাসনের সামনে তুলে ধরাই এই প্রচারণার মূল লক্ষ্য।
প্রতিবাদ থেকে অনুপ্রেরণা
সম্প্রতি উত্তর প্রদেশের হামিরপুরের জেন আলফা স্কুলের পড়ুয়াদের এক অনবদ্য লড়াইয়ের সাক্ষী থেকেছে দেশ। স্কুলে পৌঁছানোর জন্য উপযুক্ত রাস্তা না থাকায় ছোট ছোট ছাত্রছাত্রীরা তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে জেলা কালেক্টরেটের দিকে মিছিল করেছিল। সেই খুদে পড়ুয়াদের লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়ে অভিজিৎ দীপকে বলেন, “জেন আলফা, তোমাদের শক্তিশালী হতে হবে! তোমরা নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য লড়ছো, যা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।” এই আন্দোলনের সঙ্গেই তিনি সিজেপি-র ‘স্কুল ঠিক করো’ প্রচারণাকে যুক্ত করেছেন।
আন্দোলনের রূপরেখা
আগামী ১৫ই আগস্ট সকাল সাড়ে ৭টায় পিম্পরিতে এই অভিযানের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে। অভিজিৎ দীপকে নিজে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন স্থানীয় স্কুলের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখবেন এবং স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন। এই প্রচারাভিযানকে সিজেপি-র সামাজিক ও শিক্ষামূলক আন্দোলনের পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের জন্য একটি উন্নত ও মানসম্মত শিক্ষাগত পরিবেশ নিশ্চিত করাই এই আন্দোলনের একমাত্র দাবি। স্বাধীনতা দিবসে এই কর্মসূচি কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল।