অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় শুটিং! কিয়ারাকে আগলে রাখতেন যশ, ‘টক্সিক’-এর সেটে কী ঘটেছিল ফাঁস করলেন তারকা

‘টক্সিক: এ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’ (Toxic: A Fairytale for Grown-Ups) ছবির শ্যুটিং চলাকালীন অন্তঃসত্ত্বা কিয়ারা আদবানিকে বাউন্সার বা বডিগার্ডের মতো আগলে রাখতেন অভিনেতা যশ। বৃহস্পতিবার মুম্বইতে ছবিটির অডিও লঞ্চ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে কিয়ারার অসামান্য পেশাদারিত্ব এবং নিষ্ঠার ভূয়সী প্রশংসা করলেন এই দক্ষিণী তারকা। সন্তান জন্মের পর এটিই কিয়ারার প্রথম সিনেমা।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে যশ জানান, ছবির শুটিং অত্যন্ত পরিশ্রমের এবং শারীরিক দিক থেকে বেশ কঠিন হওয়ায় তিনি ও পরিচালক গীতু মোহনদাস কিয়ারাকে নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় ছিলেন। তবে সমস্ত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও নিজের কাজে ১০০ শতাংশ উজাড় করে দিয়েছেন অভিনেত্রী।
কিয়ারার পেশাদারিত্বের কথা তুলে ধরে যশ বলেন, “কিয়ারা একজন অত্যন্ত পেশাদার অভিনেত্রী। ও যখন এই ছবিতে যুক্ত হয়, আমি একটু চিন্তায় ছিলাম কারণ ছবিটির শুটিংয়ের পরিবেশ ছিল বেশ কঠিন। প্রথমবার যখন আমাদের কথা হয়, ও জিজ্ঞেস করেছিল, ‘তুমি কি আগে কখনও বৃষ্টির দৃশ্যে শ্যুটিং করেছো?’ আমি বলেছিলাম, ‘কখনও করিনি, তবে আশা করছি অভিজ্ঞতাটা ভালোই হবে।’ কিন্তু তারপর সেটে ওর কাজ করার মানসিকতা দেখে আমি সত্যি মুগ্ধ হয়েছি।”
যশ আরও যোগ করেন, “গর্ভবতী থাকা সত্ত্বেও ও সম্পূর্ণ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে গিয়েছে। আমরাই বরং বেশি দুশ্চিন্তায় ছিলাম; গীতু আর আমি সেটে একপ্রকার বাউন্সার বা বডিগার্ডের মতো সারাক্ষণ ওকে আগলে রাখতাম। তবুও কিয়ারা যেভাবে নিজেকে এই চরিত্রে সঁপে দিয়েছে, তার জন্য ওকে অনেক ধন্যবাদ। এই ছবিটি আমার কাছে সত্যিই বিশেষ।”
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে ‘টক্সিক’ ছবির ‘তাবাহি’ গানে যশের সঙ্গে কিছু অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয়ের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় একাংশের কটাক্ষের শিকার হতে হয়েছিল কিয়ারাকে। তবে সম্প্রতি ছবিটির ট্রেলার মুক্তির পর তাঁর অভিনয়ের প্রশংসায় মেতেছেন সিনেপ্রেমীরা।
গত সপ্তাহে বেঙ্গালুরুতে ট্রেলার লঞ্চের সময়ও কিয়ারার পাশে দাঁড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন যশ। সমালোচকদের কড়া জবাব দিয়ে তিনি বলেছিলেন, “একজন অভিনেতাকে কাজের তাগিদে অনেক ধরনের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। কে কী বলল, তাতে কান দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। আপনি যা বিশ্বাস করেন সেটাই করা উচিত, মানুষ ঠিকই একদিন আপনার কাজের কদর করবে। হতে পারে আমরা সময়ের চেয়ে কিছুটা এগিয়ে চিন্তা করছি, তাই হয়তো এই ট্রোলিং।”