‘বিনাশ কালে বিপরীত বুদ্ধি!’ গোবিন্দার চর্চিত প্রেমিকা কাণ্ড নিয়ে মুখ খুলতেই মেজাজ হারালেন সুনীতা, নেটদুনিয়ায় শোরগোল

অভিনেতা গোবিন্দা এবং তাঁর স্ত্রী সুনীতা আহুজার ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন এখন বলিপাড়ার অন্যতম হট কেক। সম্প্রতি গোবিন্দার একটি ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছিল। আর তার মাঝেই আগুনে ঘি ঢেলে দিল অভিনেতার একটি নতুন ছবি—যেখানে দীর্ঘদিনের গুঞ্জন থাকা চর্চিত বান্ধবী কোমলের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা গিয়েছে গোবিন্দাকে। আর এই দৃশ্য সামনে আসতেই মেজাজ হারিয়ে কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন সুনীতা আহুজা।
সুনীতার মেজাজ ও ‘চিটার নম্বর ওয়ান’ কটাক্ষ
পাপারাৎজির মুখোমুখি হতেই সুনীতাকে গোবিন্দার এই সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। কোনো রাখঢাক না রেখেই স্পষ্ট ভাষায় তিনি বলেন, “একটা কথা আছে না, বিনাশ কালে বিপরীত বুদ্ধি! ওর বুদ্ধিশুদ্ধি সব লোপ পেয়েছে, তাই এসব করে বেড়াচ্ছে। আমি আর কী-ই বা বলব!”
সোশ্যাল মিডিয়ায় বর্তমানে গোবিন্দাকে ‘চিটার নম্বর ওয়ান’ বলে কটাক্ষ করছেন নেটিজেনদের একাংশ। এই প্রসঙ্গ টেনে সুনীতা পাল্টা ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, “আমি কিছু বললেই তো আমাকে ট্রোল করা হয়। এবার গোবিন্দার অনুরাগী আর মিডিয়া গিয়ে ওর কাছ থেকেই জবাব নিক। আমার আর এসব নিয়ে কথা বলতে কোনও ইচ্ছে নেই!”
বিতর্কের সূত্রপাত যেখান থেকে
পুরো ঘটনার সূত্রপাত গোবিন্দার একটি সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারকে কেন্দ্র করে। সেখানে অভিনেতা দাবি করেছিলেন যে, ৩৪ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি নাকি একেবারেই ‘নিষ্পাপ’ ছিলেন। এরপরেই তিনি এক রূপক ব্যবহার করে মন্তব্য করেন, “মিষ্টির দোকান থেকে কেউ যদি খালি পেটে ফিরে আসে, তবে তার চেয়ে দুঃখের আর কী হতে পারে!” তাঁর এই মন্তব্যের পরেই জল্পনা তীব্র হয় যে, তবে কি স্ত্রীর আনা পরকীয়ার অভিযোগগুলি একপ্রকার পরোক্ষভাবে স্বীকার করে নিলেন অভিনেতা?
যদিও নিজের সাফাইতে গোবিন্দা দাবি করেছিলেন যে, সুনীতা খুব গুছিয়ে কথা বলতে পারেন এবং চারটে ভালো কথা বলার পর মিষ্টি হেসে খোঁচা দেওয়াটা তাঁর অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে একটি রিয়্যালিটি শো-তে (‘লক আপ ২’) গিয়ে সুনীতা খোলামেলাভাবে জানিয়েছিলেন যে, বলিপাড়ার নায়কদের জীবনে বহু সম্পর্ক থাকে এবং অনেক কিছু ভালোবেসে সহ্য করতে হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতি যেভাবে খোলাখুলি সংঘাতে রূপ নিয়েছে, তাতে তাঁদের সম্পর্ক কোন মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার।