NEET বিতর্কের মাঝেই বড় বার্তা! রাজ্যের সেরা ১০০ কৃতীকে সংবর্ধনা দিয়ে অভাবনীয় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর!

নিট (NEET) পরীক্ষা নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় ও আন্দোলনের আবহে রাজ্যের সফল ও মেধাবী হবু চিকিৎসকদের পাশে থাকার জোরালো বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার আয়োজিত এক বিশেষ জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে রাজ্যের সেরা ১০০ জন নিট-কৃতীকে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন, মেধাবী চিকিৎসকরা যাতে পড়াশোনা ও প্রশিক্ষণ শেষে স্বেচ্ছায় এই রাজ্যেই চিকিৎসা পরিষেবা দিতে উৎসাহী হন, তেমনই অনুকূল পরিবেশ ও বিশ্বমানের পরিকাঠামো গড়ে তোলার পূর্ণ দায়িত্ব রাজ্য সরকারের।
🏥 “চিকিৎসকদের জন্য সেরা পরিকাঠামো গড়াই মূল লক্ষ্য”
সরকারি ও বেসরকারি— উভয় স্বাস্থ্যখাতেই ব্যাপক ইতিবাচক ও আধুনিক পরিবর্তন আনতে রাজ্য সরকার যে বদ্ধপরিকর, সেকথা পুনর্ব্যক্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী। উপস্থিত শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিক ও চিকিৎসকদের উপস্থিতিতে তিনি বলেন:
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য: “আমরা এমন উন্নত পরিকাঠামো, আধুনিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং সুস্থ কাজের পরিবেশ তৈরি করব, যাতে নিটে সফল হওয়া আমাদের এই তরুণ চিকিৎসকরা নিজেরাই স্বেচ্ছায় পশ্চিমবঙ্গে থেকে পরিষেবা দিতে উৎসাহিত হন। সেই সুপরিবেশ তৈরি করার পূর্ণ দায়িত্ব পশ্চিমবঙ্গ সরকারের।”
🩺 ৪টি নতুন মেডিক্যাল কলেজ ও ‘আয়ুষ্মান ভারত’ নীতি
স্বাস্থ্য-শিক্ষা ও সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে একগুচ্ছ যুগান্তকারী পদক্ষেপের কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী:
আয়ুষ্মান ভারত ও আয়ুষ্মান মন্দির: রাজ্য ইতিমধ্যে কেন্দ্রের আয়ুষ্মান কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছে। ‘জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন’-এর আওতায় গ্রাম ও শহরের প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিকে সর্বাধুনিক ‘আয়ুষ্মান মন্দির’ হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।
এমবিবিএস (MBBS) আসন বৃদ্ধি: রাজ্যের চিকিৎসা-শিক্ষাকে আরও এগিয়ে নিতে এমবিবিএস আসনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৪ জেলায় ৪টি নতুন মেডিক্যাল কলেজ: বাজেট ঘোষণা অনুযায়ী— কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, পশ্চিম বর্ধমান এবং দক্ষিণ দিনাজপুর— এই চার জেলায় চারটি নতুন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ তৈরির কাজ জোরকদমে এগোচ্ছে।
দেশজুড়ে নিট পরীক্ষা সংক্রান্ত অস্থিরতার মাঝে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই সময়োপযোগী প্রতিশ্রুতি ও দূরদর্শী পদক্ষেপ রাজ্যের চিকিৎসা ক্ষেত্রে এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে।