ডিপফেক ভিডিও বানিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার? মেটা, এক্স ও গুগলকে টানতে নজিরবিহীন অনুমতি বম্বে হাইকোর্টের!

ই-২০ ইথানল মিশ্রিত পেট্রোল (E20 Petrol) নীতি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক ডিপফেক ভিডিও ও বিভ্রান্তিকর পোস্ট ছড়ানোর অভিযোগে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়করি। তাঁর ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের মিথ্যা প্রচার চালানোর বিরুদ্ধে এবার দেওয়ানি মামলা দায়ের করার অনুমতি দিল বম্বে হাইকোর্ট।
আদালতের এই নির্দেশের ফলে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের অভিভাবক সংস্থা ‘মেটা’ (Meta), ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার), ‘গুগল’সহ একাধিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিরুদ্ধে সরাসরি আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। একই সঙ্গে মামলায় যুক্ত করা হয়েছে কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক (MeitY) এবং টেলিযোগাযোগ দপ্তরকেও (DoT)।
এআই ও ডিপফেক প্রযুক্তির মাধ্যমে ভাবমূর্তি নষ্টের চক্রান্ত!
আদালতে পেশ করা আবেদনে নীতিন গড়করি অভিযোগ জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-নির্ভর (AI-driven) ডিপফেক ভিডিও, এডিট করা অডিও ও ছবির মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার চালানো হচ্ছে যে ই-২০ ইথানল নীতি থেকে তিনি ও তাঁর পরিবার ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হচ্ছেন।
তিনি স্পষ্ট জানান:
-
এই অপপ্রচার সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিদ্বেষমূলক।
-
ইথানল ব্লেন্ডেড পেট্রোল (EBP) কর্মসূচি সম্পূর্ণরূপে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের অধীন।
-
সড়ক পরিবহণ মন্ত্রকের এর সাথে কোনো প্রশাসনিক বা নীতিগত সম্পর্ক নেই, ফলে তিনি এতে কোনোভাবেই জড়িত নন।
কী দাবি জানানো হয়েছে আদালতে?
কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর তরফে আবেদন জানানো হয়েছে, যেন সমস্ত প্ল্যাটফর্ম থেকে এই ধরনের মানহানিকর ডিপফেক কনটেন্ট অবিলম্বে সরিয়ে ফেলা হয়। পাশাপাশি, যারা এই জাতীয় বিভ্রান্তিকর তথ্য তৈরি ও প্রচার করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের কনটেন্ট প্রকাশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির দাবি জানানো হয়েছে।
বম্বে হাইকোর্ট মামলা দায়েরের অনুমতি দিলেও, কনটেন্ট সরানোর অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ সম্পর্কিত আবেদনের ওপর পরবর্তী শুনানি গ্রহণ করবে।