মাত্র ৩১ বলেই বিধ্বংসী হাফসেঞ্চুরি! রেকর্ড গড়ে বড় ইনিংস খেললেন বৈভব

ব্যাট হাতে আরও একবার বাইশ গজে তাণ্ডব চালালেন তরুণ সেনসেশন বৈভব সূর্যবংশী। তাঁর অনবদ্য ও ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করেই জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে ১৯২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করল টিম ইন্ডিয়া। শ্রেয়স আইয়ারের দলের হয়ে এই ম্যাচে সবথেকে বেশি রান এসেছে বৈভবের ব্যাট থেকেই। মাত্র ৪৯ বলে ৮১ রানের একটি অসাধারণ ও দায়িত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন তিনি, যা সাজানো ছিল ৪টি ছক্কা এবং ৮টি চারে। মাত্র ৩১ বলেই নিজের আন্তর্জাতিক টি-২০ কেরিয়ারের দ্বিতীয় অর্ধশতরান পূর্ণ করেন এই তরুণ তুর্কি। চলতি সিরিজেই এটি তাঁর প্রথম অর্ধশতরান।

এই ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। সাম্প্রতিক সময়ে টসের ভাগ্য যে তাঁর দারুণ সহায়, তা ফের প্রমাণিত হলো— শেষ ১০টি ম্যাচের মধ্যে এই নিয়ে ৯ বার টসে জয় পেলেন তিনি। এই ম্যাচে ভারতের প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন আনা হয়: প্রিন্স যাদবের পরিবর্তে দলে সুযোগ পান অশোক শর্মা এবং শিবম দুবের জায়গায় খেলেন সূর্যাংশ শেডগে। অন্যদিকে, জিম্বাবোয়ে অধিনায়ক সিকান্দার রাজাও তাঁদের একাদশে একটি পরিবর্তন করে চোটগ্রস্ত পেসার রিচার্ড এনগারাভার বদলে অভিজ্ঞ স্পিনার ওয়েলিংটন মাসাকাদজাকে দলে নেন।

শুরুর ধাক্কা সামলে বৈভবের মারকাটারি ইনিংস

ভারতের ইনিংসের শুরুটা অবশ্য খুব একটা ভালো হয়নি। ইনিংসের শুরুতেই জিম্বাবোয়ের অভিজ্ঞ পেসার ব্লেসিং মুজারাবানির শিকার হয়ে মাত্র ২ রান করেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন ওপেনার অভিষেক শর্মা।

তবে অভিষেক দ্রুত আউট হলেও অন্য প্রান্ত থেকে পেস ও স্পিন—উভয় ধরনের বোলিংয়ের বিরুদ্ধে সমান আক্রমণাত্মক মেজাজে রান তুলতে থাকেন বৈভব সূর্যবংশী। একের পর এক চার ও ছক্কা হাঁকিয়ে মাত্র ৩১ বলেই নিজের ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি।

দ্বিতীয় উইকেটে ঈশান কিষানের সঙ্গে জুটি বেঁধে ৭৫ রানের মহামূল্যবান পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন বৈভব। ঈশান কিষান ২৯ রান করে আউট হলেও নিজের স্বভাবসিদ্ধ আক্রমণাত্মক খেলা বজায় রাখেন বৈভব। যেভাবে তিনি ব্যাট করছিলেন, তাতে সেঞ্চুরি করার প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত বড় শট বা বাউন্ডারি মারার চেষ্টাতেই আউট হন তিনি। শতরান হাতছাড়া হলেও ৮১ রানের অনবদ্য এক ম্যাচ উইনিং ইনিংস খেলে মাঠ ছাড়েন বৈভব সূর্যবংশী।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *