মাঠে ফেলে রাখা হলো ক্ষতবিক্ষত দেহ! পাঞ্জাবের এই মর্মান্তিক ঘটনায় শিউরে উঠল পুলিশ

প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে বিয়ে করার খেসারত দিতে হলো মর্মান্তিকভাবে। বিয়ের আড়াই মাস কাটতে না কাটতেই পরিবারের হাতে নির্মমভাবে খুন হতে হলো ২০ বছরের এক নববধূর। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পাঞ্জাবের ফরিদকোট জেলায়। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশ্যে আসতেই শিউরে উঠেছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন।
ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ:
-
পরিবারের হাতে খুন: সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০ বছরের ওই তরুণী নিজের পরিবারের অমতে পছন্দ করে বিয়ে করেছিলেন। আর এই ‘প্রেমের বিয়ে’ মেনে নিতে পারেনি তাঁর পরিবার। অভিযোগ, পরিবারের সদস্যদের তীব্র ক্ষোভের ফলেই এই ভয়ঙ্কর পরিণতি হয়েছে।
-
কুপিয়ে খুন ও দেহ ফেলে চম্পট: যুবতীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। এরপর প্রমাণ লোপাট করতে বা আড়াল করতে তাঁর নিথর দেহটি একটি খোলা মাঠে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত পরিবারের সদস্যরা।
-
পুলিশের তদন্ত: খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। এই ঘটনায় পরিবারের কাদের হাত রয়েছে এবং ঠিক কী কারণে এই নৃশংসতা, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।