বিয়ের ৩ মাস পরেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার শিকার ১৯ বছরের তরুণী, ধূপগুড়িতে গ্রেফতার প্রতিবেশী যুবক

বারুইপুরকাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের রাজ্যের নারী নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি। বাড়িতে একা থাকার সুযোগ নিয়ে ১৯ বছর বয়সী এক গৃহবধূকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

কী ঘটেছিল ধূপগুড়িতে? পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা নাগাদ নির্যাতিতার বাড়ির সদস্যরা কেউ বাড়িতে ছিলেন না। সেই সময় অভিযুক্ত যুবক আচমকাই বাড়িতে ঢুকে পড়ে। অভিযোগ, জোরপূর্বক মুখ চেপে ওই গৃহবধূকে টেনে বাড়ির পাশের ঝোপের আড়ালে নিয়ে যায় এবং সেখানে তাঁকে ধর্ষণ করে। ঘটনার পরেই অভিযুক্ত পালিয়ে যায়।

পরিবারের আহাজারি ও পুলিশের ভূমিকা নির্যাতিতার শ্বশুর জানান, “মাত্র তিন মাস আগে বৌমার বিয়ে হয়েছে। বাড়ির কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে মুখ চেপে ধরে তাকে বাগানে নিয়ে গিয়ে এই পাশবিক নির্যাতন চালায় অভিযুক্ত।” ঘটনার পরেই নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে ধূপগুড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পরই পুলিশ তড়িঘড়ি অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করে। ধৃতকে জলপাইগুড়ি আদালতে তোলা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

রাজনৈতিক চাপানউতোর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার নির্যাতিতার বাড়িতে যান সিপিআই(এম)-এর প্রাক্তন বিধায়ক মমতা রায় ও মহিলা সমিতির প্রতিনিধিরা। তাঁরা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে সমবেদনা জানান। সিপিএম নেতা জয়ন্ত মজুমদার অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন। সেই সঙ্গে পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপের প্রশংসাও করেছেন তিনি।

ধূপগুড়ি থানার পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং অভিযুক্তকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে আইনানুগ সবরকম পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *