শহরের কোলাহল ছেড়ে বর্ষায় পাহাড়ে! অফবিট ডেস্টিনেশন ‘জোরখোলা’য় হারিয়ে যেতে পারেন আপনিও

দেখতে দেখতে বর্ষাকাল এসে গেছে। পাহাড়প্রেমীদের কাছে বর্ষার পাহাড় মানেই এক অন্যরকম আবেগ। তবে শহরের ভিড়ভাট্টা এড়িয়ে যদি প্রিয়জনের সঙ্গে নির্জনে কিছুটা সময় কাটাতে চান, তবে আপনার গন্তব্য হতে পারে দার্জিলিংয়ের অদূরের এক শান্ত পাহাড়ি গ্রাম ‘জোরখোলা’।
কেন যাবেন জোরখোলায়?
দার্জিলিং থেকে মাত্র ১১ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত এই গ্রামটি এখনো পর্যটকদের মূল স্রোত থেকে অনেকটা দূরে। তাই এখানে ভিড় নেই, আছে শুধু প্রকৃতির স্নিগ্ধতা। সকালের কুয়াশা ঢাকা ঘন জঙ্গল আর তার ওপর মেঘেদের আনাগোনা দেখে মনে হবে আপনি কোনো রূপকথার রাজ্যে চলে এসেছেন। যারা পাহাড়ে গিয়ে কিছুটা রহস্যময় পরিবেশ খুঁজছেন, তাদের জন্য এই জায়গাটি আদর্শ। সারিবদ্ধ পাইন গাছ আর নির্জন পরিবেশ এখানকার প্রধান আকর্ষণ। মূলত রোদের দেখা এখানে কমই মেলে, আর বর্ষায় এই জায়গার সৌন্দর্য যেন বহুগুণ বেড়ে যায়। যারা অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ করেন, তারা বন্ধু-বান্ধব বা প্রিয়জনকে নিয়ে একবার ঘুরে আসতেই পারেন এই মায়াবী গ্রামে।
থাকার ব্যবস্থা:
এখানে পর্যটকদের থাকার জন্য রয়েছে বেশ কিছু মনোরম কটেজ। পাহাড়ের খাঁজে পাইন বনঘেরা এই কটেজগুলোতে বসে প্রকৃতির রূপ দেখার অভিজ্ঞতা এক কথায় অনবদ্য।
কীভাবে পৌঁছাবেন?
নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) বা শিলিগুড়ি থেকে খুব সহজেই এই পাহাড়ি গ্রামে পৌঁছানো যায়। শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিংগামী শেয়ার গাড়ি বা প্রাইভেট গাড়ি বুক করে নিন। সোনাদা পার হয়ে হিলকার্ট রোডের ওপর আপনাকে নামতে হবে। তবে প্রাইভেট গাড়ি বুক করলে সরাসরি পৌঁছে যাওয়া যাবে আপনার পছন্দের কটেজে।