শ্রাবণী মেলায় তারকেশ্বর ধামে কপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি! পুণ্যার্থীদের জন্য মেগা ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

শ্রাবণী মেলাকে কেন্দ্র করে লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর নিরাপত্তা ও সুবিধার খাতিরে একগুচ্ছ নতুন প্রকল্পের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারকেশ্বর, জলপাইগুড়ির জল্পেশ এবং ভুটান সীমান্তের জয়ন্তীতে পুণ্যার্থীদের নির্বিঘ্নে পুজো দেওয়ার সুবিধার্থে রাজ্য সরকার বিশেষ সরকারি উদ্যোগ নিয়েছে। মঙ্গলবার সশরীরে তারকেশ্বর ধাম পরিদর্শনের ঠিক আগের দিন সোমবার নবান্ন থেকে এই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
পুণ্যার্থীদের জন্য কী কী সুবিধা: মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রতি বছর শ্রাবণ মাসে দূর-দূরান্ত থেকে আসা পুণ্যার্থীদের যাত্রাপথকে আরও আরামদায়ক ও নিরাপদ করে তুলতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে:
-
পানীয় জল ও চিকিৎসা: পুণ্যার্থীদের যাতায়াতের পথে পর্যাপ্ত পানীয় জলের ব্যবস্থা এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলায় ভ্রাম্যমাণ (Mobile) মেডিক্যাল টিম মোতায়েন থাকবে।
-
অনন্য অভ্যর্থনা: তারকেশ্বর মন্দিরে আসা পুণ্যার্থীদের স্বাগত জানাতে এবার কপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টির বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।
-
মন্দির চত্বরের উন্নয়ন: তারকেশ্বর মন্দির চত্বরকে আরও সুন্দর ও প্রশস্ত করে তোলার জন্য ইতিমধ্যেই বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা: নবান্ন সভাঘরে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যে আস্থার যে পরম্পরা আমি দেখেছি, সেই আদলেই আমাদের রাজ্যেও পুণ্যার্থীদের সর্বোচ্চ সুরক্ষা ও পরিষেবা দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। তারকেশ্বরের পাশাপাশি জল্পেশ এবং জয়ন্তীতেও পুণ্যার্থীরা যেন কোনো সমস্যার সম্মুখীন না হন, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।”
প্রশাসনিক সূত্রে খবর, মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং তারকেশ্বর ধামে পৌঁছে সমস্ত ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখবেন। শ্রাবণী মেলার দীর্ঘ যাত্রাপথকে কেন্দ্র করে রাজ্য সরকারের এই তৎপরতা পুণ্যার্থীদের মধ্যে স্বস্তির বাতাবরণ তৈরি করেছে।