অযোধ্যায় বড় প্রশাসনিক বদল! রাম মন্দিরের দায়িত্ব নিতে আসছেন সিইও, জানুন খুঁটিনাটি

রাম মন্দিরের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং মন্দিরের পরিচালনা পদ্ধতি আরও আধুনিক করতে এবার বড় পদক্ষেপ নিল শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ট্রাস্ট। সোমবার আয়োজিত এক জরুরি বৈঠকে ট্রাস্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, মন্দিরের ব্যবস্থাপনা তিরুপতি মন্দিরের ধাঁচে সাজানো হবে। আর এই লক্ষ্যেই একজন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO) নিয়োগ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে ট্রাস্ট।
কেন এই কমিটি গঠন? সম্প্রতি মন্দিরে প্রসাদ চুরির মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর থেকেই নিরাপত্তার কড়াকড়ি ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছিল। এরই প্রেক্ষিতে মন্দিরের যাবতীয় প্রশাসনিক দায়িত্ব একজন দক্ষ সিইও-র হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিন সদস্যের হাই-প্রোফাইল কমিটি: সিইও পদের জন্য উপযুক্ত প্রার্থী বাছাই করতে তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে রয়েছেন দেশের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এবং সেনাকর্মকর্তারা:
-
বিচারপতি প্রমোদ কোহলি (অবসরপ্রাপ্ত)
-
লেফটেন্যান্ট জেনারেল বিষ্ণু কান্ত (অবসরপ্রাপ্ত)
-
লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুরেশ হাওড়ে (অবসরপ্রাপ্ত)
এই কমিটি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যোগ্য প্রার্থীদের নাম যাচাই-বাছাই করবে এবং চূড়ান্ত সুপারিশ ট্রাস্টের কাছে পেশ করবে।
কী এই ‘তিরুপতি মডেল’? তিরুপতি মন্দিরের পরিচালন ব্যবস্থা বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছ হিসেবে পরিচিত। ভক্তদের ভিড় সামলানো, প্রসাদ বিতরণ, মন্দিরের নিরাপত্তা এবং অভ্যন্তরীণ আর্থিক ব্যবস্থাপনা—সবকিছুই অত্যন্ত নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত হয়। রাম মন্দির ট্রাস্ট মূলত সেই ব্যবস্থাপনা ও স্বচ্ছতাকেই অযোধ্যায় বাস্তবায়িত করতে চাইছে।
বর্তমানে ট্রাস্টের পক্ষ থেকে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে কোনো বিস্তারিত তথ্য না দিলেও, দ্রুত এই পদ পূরণ করা হবে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। রাম মন্দিরের বৃহত্তর স্বার্থে এবং ভক্তদের সুবিধার জন্য এই পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।