PF অ্যাকাউন্ট আছে? বিনা প্রিমিয়ামে পান ৭ লাখ টাকার জীবনবিমা! জানুন কীভাবে

চাকরিজীবীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় প্রভিডেন্ট ফান্ড বা পিএফ (PF) অপরিহার্য। তবে অধিকাংশ ইপিএফ (EPF) গ্রাহকই জানেন না যে, পিএফ অ্যাকাউন্টের সঙ্গে জড়িয়ে আছে জীবনবিমার এক দারুণ সুবিধা। এমপ্লয়িজ ডিপোজিট লিঙ্কড ইন্সুরেন্স বা ইডিএলআই (EDLI) স্কিমের অধীনে কর্মরত অবস্থায় কোনো কর্মীর মৃত্যু হলে তাঁর পরিবারকে মোটা অঙ্কের আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়।
সবথেকে বড় সুবিধা: প্রিমিয়ামের ঝামেলা নেই ইপিএফও-র এই জীবনবিমার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো—কর্মীকে এর জন্য আলাদা করে কোনো প্রিমিয়াম বা চার্জ দিতে হয় না। কর্মীর বেতন থেকে কোনো টাকা কাটাও হয় না। বরং নিয়োগকারী সংস্থা কর্মীর বেসিক স্যালারি ও ডিএ-র ০.৫ শতাংশ এই খাতে বিনিয়োগ করে। এর ফলে কর্মীকে কোনো অতিরিক্ত খরচ করতে হয় না।
কভারেজ ও যোগ্যতার মাপকাঠি:
-
কতটা কভারেজ: কর্মরত অবস্থায় দুর্ভাগ্যবশত কোনো কর্মীর মৃত্যু হলে তাঁর মনোনীত নমিনি বা বৈধ উত্তরাধিকারী ২.৫ লক্ষ থেকে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সাহায্য পেতে পারেন।
-
সদস্যপদ: ইডিএলআই স্কিমের জন্য আলাদা কোনো আবেদন বা রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন নেই। ইপিএফ অ্যাকাউন্টের সদস্য হলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই বিমার আওতাভুক্ত হন কর্মী।
-
চাকরির মেয়াদ: মাত্র এক বছর বা তার কম চাকরি করলেও এই সুবিধা পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকার বিমা সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।
জরুরি কিছু তথ্য: ১. নমিনি আপডেট: এই বিমার টাকা পাওয়ার জন্য অবশ্যই পিএফ পোর্টালে আপনার নমিনির তথ্য (Nominee Details) আপডেট থাকা জরুরি। ২. চাকরি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে: এক চাকরি ছেড়ে অন্য চাকরিতে যোগ দেওয়ার মাঝখানের বিরতি থাকলেও এই ইন্সুরেন্স কভারেজ সাধারণত বন্ধ হয় না। ৩. ক্লেম প্রক্রিয়া: বিমার জন্য ক্লেম করার পর সাধারণত এক মাসের মধ্যেই নমিনির অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে দেওয়া হয়।
আপনার যদি পিএফ অ্যাকাউন্ট থাকে, তবে দ্রুত নমিনির তথ্য আপডেট করুন এবং এই সরকারি সুরক্ষাকবচের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাখুন।