অস্তিত্ব বাঁচাতে সপরিবারে কংগ্রেসে ফিরছেন মমতা-অভিষেক? জনমত সমীক্ষায় বিস্ফোরক ইঙ্গিত!

বাংলার রাজনৈতিক মহলে এখন এক অভূতপূর্ব ও ঐতিহাসিক ওলটপালটের আবহ। একদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অব্যাহত রয়েছে তীব্র ভাঙন, অন্যদিকে একের পর এক বিধায়ক যোগ দিচ্ছেন বিদ্রোহী শিবিরে। লোকসভা ও রাজ্যসভার সংসদীয় দলেও ধরেছে মারাত্মক ফাটল। আর এই চরম ডামাডুলের মধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে বোমার মতো ফেটেছে এক নতুন জল্পনা—তবে কি নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব বাঁচাতে শেষ পর্যন্ত সপরিবারে কংগ্রেসে যোগ দিতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়?
সূত্রের খবর, স্বয়ং কংগ্রেসের শীর্ষনেত্রী সোনিয়া গান্ধী নাকি তাঁদের এই সংযুক্তিকরণের প্রস্তাব দিয়েছেন। এই হাই-প্রোফাইল জল্পনাকে কেন্দ্র করেই গত ১০ জুন এবিপি আনন্দের জনপ্রিয় টক-শো ‘ঘণ্টাখানেক সঙ্গে সুমন’ অনুষ্ঠানের বিশেষ ‘পোল সেগমেন্ট’-এ কিছু জ্বলন্ত প্রশ্ন রাখা হয়েছিল আমজনতার দরবারে। ইউটিউব, ফেসবুক, এক্স (টুইটার), ইনস্টাগ্রাম এবং থ্রেডস-এর মতো বিভিন্ন সমাজমাধ্যমে সাধারণ মানুষ যে বিস্ফোরক রায় দিয়েছেন, তা এক নজরে দেখে নেওয়া যাক:
১. রাজনৈতিক অস্তিত্ব বাঁচাতে শেষ পর্যন্ত কি কংগ্রেসেই ফিরতে হবে মমতাকে?
যে কংগ্রেস দল ভেঙে ১৯৯৮ সালে নিজের নতুন দল (তৃণমূল) গড়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আজ রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষার তাগিদে কি তাঁকে সেই পুরনো ঘরেই ফিরে যেতে হবে? সমাজমাধ্যমে সাধারণ মানুষের রায় অত্যন্ত স্পষ্ট।
হ্যাঁ বলেছেন: ৭৯ শতাংশ মানুষ
না বলেছেন: ২০ শতাংশ মানুষ
জানি না বলেছেন: ১ শতাংশ মানুষ
২. প্রদেশ কংগ্রেসের নেতারা কি আদেও মেনে নেবেন মমতাকে?
বিগত আড়াই দশকে দল বাড়াতে বারবার কংগ্রেসের বিধায়ক থেকে শুরু করে আস্ত জেলা পরিষদ ভাঙিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে, দিল্লির হাইকম্যান্ডের ইচ্ছেয় দলবদল হলেও, বাংলার প্রদেশ কংগ্রেস নেতারা কি মমতাকে আদেও মেনে নেবেন? সুমনের পোলে আমজনতা এর উত্তর দিয়েছেন এভাবে:
হ্যাঁ বলেছেন: মাত্র ৭ শতাংশ মানুষ
না বলেছেন: ৯১ শতাংশ মানুষ (বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা)
জানি না বলেছেন: ২ শতাংশ মানুষ
৩. তৃণমূলের রাশ কি পুরোপুরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতের বাইরে চলে গিয়েছে?
দলের অন্দরে ভাঙন এখন সংক্রামক ব্যাধির মতো ছড়িয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক মহলে তীব্র গুঞ্জন, মমতা-ঘনিষ্ঠ মালা রায় থেকে শুরু করে অভিষেক-ঘনিষ্ঠ দাপুটে সাংসদ সায়নী ঘোষও নাকি এবার বিদ্রোহের পথে পা বাড়াচ্ছেন! তবে কি জোড়াফুল শিবিরের রাশ এখন দলনেত্রীর হাতের বাইরে? এই প্রশ্নে জনগণের রায় সবচেয়ে বেশি চমকে দেওয়ার মতো:
হ্যাঁ বলেছেন: ৯৫ শতাংশ মানুষ
না বলেছেন: ৪ শতাংশ মানুষ
জানি না বলেছেন: ১ শতাংশ মানুষ
৪. ভোট-পরবর্তী হিংসায় গ্রেফতার স্বপন সমাদ্দার কি এতদিন প্রভাব খাটিয়ে বেঁচে ছিলেন?
একুশের বিধানসভা ভোট-পরবর্তী হিংসা মামলায় সম্প্রতি গ্রেফতার হয়েছেন কলকাতার সদ্যপ্রাক্তন মেয়র পারিষদ তথা প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা স্বপন সমাদ্দার। তিনি এতদিন অত্যন্ত দাপুটে এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণেই কি আইনের ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন? এই প্রশ্নের জবাবে জনমত বলছে:
হ্যাঁ বলেছেন: ৯২ শতাংশ মানুষ
না বলেছেন: ৬ শতাংশ মানুষ
জানি না বলেছেন: ২ শতাংশ মানুষ