‘ককরোচ আসছে, প্রধান যাচ্ছেন!’ নিট বিতর্কে উত্তাল যন্তর মন্তর, দিল্লি পৌঁছেই গর্জে উঠলেন অভিজিৎ দীপকে

ভারতীয় রাজনীতিতে এক অভূতপূর্ব ঘটনার সাক্ষী হতে চলেছে রাজধানী। ‘নিট ২০২৬’ প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং সিবিএসই-র মার্কিং পদ্ধতিতে অনিয়মের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আজ যন্তর মন্তরে গর্জে উঠেছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে আজ সকালেই আমেরিকা থেকে দিল্লি পৌঁছে সরাসরি আন্দোলনে শামিল হয়েছেন।
ডিজিটাল থেকে রাজপথে:
সুপ্রিম কোর্টের একটি মন্তব্যের ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়ায় যে ডিজিটাল সংগঠনের জন্ম হয়েছিল, তা আজ ২২ মিলিয়নেরও বেশি অনুগামী নিয়ে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক সংগঠনে পরিণত হয়েছে। দীপকের নেতৃত্বে আজ সকালে যন্তর মন্তরে ‘ককরোচ’ সমর্থকদের ঢল নেমেছে। দিল্লি পুলিশ এই কর্মসূচির অনুমতি দিলেও এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে কড়া নিরাপত্তা।
বিক্ষোভকারীদের জন্য সিজেপি-র ‘শান্তি পাঠ’:
প্রতিবাদ কর্মসূচির আগে এক বিশেষ নির্দেশিকা জারি করেছে সিজেপি। যেখানে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে:
করণীয়: সাথে তেরঙা পতাকা ও বই রাখুন, সবকিছু রেকর্ড করুন, সানস্ক্রিন ও টুপি ব্যবহার করুন এবং শরীরে জলের জোগান বজায় রাখুন।
বর্জনীয়: ট্রোল বা উস্কানিদাতাদের তর্কে জড়াবেন না, একা ঘোরাফেরা করবেন না এবং পুলিশকে ফুল সসম্মানে অর্পণ করুন (ছুড়ে ফেলবেন না)।
অভিজিৎ দীপকের বার্তা:
দিল্লিতে নেমে এক এক্স পোস্টে দীপকে বলেন, “এটি কোনো ছোট কৌতুক নয়, একে বিপ্লবে রূপ দেওয়ার সময় এসেছে। সহানুভূতি ও কৃতজ্ঞতার নিদর্শন হিসেবে পুলিশদের ফুল দিন। আমাদের আন্দোলন হবে ভালোবাসা ও শান্তির।” অন্যদিকে, সিজেপি মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা এই দিনটিকে ভারতীয় রাজনীতির এক ‘যুগান্তকারী দিন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
কী দাবিতে আন্দোলন?
সিজেপি-র মূল অভিযোগ:
১. নিট ২০২৬ পরীক্ষায় ব্যাপক প্রশ্নপত্র ফাঁস।
২. সিবিএসই-র ওএসএম পদ্ধতিতে কারচুপি।
৩. শিক্ষামন্ত্রীর ব্যর্থতা ও তাঁর অবিলম্বে পদত্যাগ।
পরিস্থিতি:
সকাল ১০টা থেকে যন্তর মন্তরে শুরু হয়েছে এই শান্তিপূর্ণ অবস্থান বিক্ষোভ। ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।