১৩ পাতার ফর্ম দেখে ঘাবড়ে গেছেন? অগ্নিকাণ্ড এড়াতে সরাসরি সুখবর দিলেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল

ভোটের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাজ্যে শুরু হয়েছে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’। এই প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের যোগ্য মহিলারা প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করে ভাতা পাবেন। তবে প্রকল্প চালুর পর থেকেই ১৩ পাতার দীর্ঘ ফর্ম ফিল-আপ নিয়ে আবেদনকারীদের মধ্যে ব্যাপক দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছিল। এই বিভ্রান্তি কাটাতে এবার সরাসরি আশ্বাসের বাণী শোনালেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

ফর্ম নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী?
১৩ পাতার দীর্ঘ ফর্ম দেখে সাধারণ মানুষের আতঙ্ক দূর করতে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, সব কটি ছক পূরণ করা বাধ্যতামূলক নয়। তিনি বলেন, “ফর্মে যে তথ্যগুলো চাওয়া হয়েছে, সেগুলো ভবিষ্যতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের উপভোক্তা নির্বাচন করতে সাহায্য করবে। তাই এই তথ্য সংগ্রহ প্রয়োজনীয়।” অর্থাৎ, অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য যতটুকু তথ্য একান্ত প্রয়োজন, ততটুকু দিলেই চলবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রীর বড় প্রতিশ্রুতি: “বাড়িতেই আসবে সরকারি প্রতিনিধি”
फॉर्म পূরণের ঝক্কি নিয়ে বিচলিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, “ফর্ম পূরণ করতে আপনাদের কোথাও দৌড়াতে হবে না। আমাদের প্রতিনিধিরাই আপনাদের বাড়িতে গিয়ে ফর্ম পূরণ করিয়ে দিয়ে আসবেন।” কোনো ধরণের গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি জানান, যোগ্য প্রত্যেক উপভোক্তাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।

বুধবার থেকেই টাকা ট্রান্সফার
সরকারি সূত্রে খবর, আগামীকাল বুধবার থেকেই অন্নপূর্ণা যোজনার প্রথম পর্যায়ের টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছাতে শুরু করবে। প্রথম দফায় ৯০ হাজারেরও বেশি মহিলার কাছে এই আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে রাজ্য সরকার।

কলকাতা পুরসভাসহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এখন এই ফর্ম ফিল-আপের কাজ চলছে। সরকারি স্তরে এই তৎপরতা এবং প্রশাসনের আশ্বাস পাওয়ার পর আবেদনকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। রাজ্যের এই নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে মহিলাদের আর্থিক স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।