“আমিই ছিলাম কেপ্ট বয়ফ্রেন্ড!” সুস্মিতা সেনের সঙ্গে সম্পর্কের জল্পনায় নীরবতা ভাঙলেন ললিত মোদি

ব্যবসায়ী ললিত মোদি এবং ব্রহ্মাণ্ড সুন্দরী সুস্মিতা সেনের সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘ চার বছর ধরে চর্চার শেষ নেই। বছর চারেক আগে সার্ডিনিয়ায় ছুটি কাটানোর ছবি প্রকাশ্যে আসতেই তোলপাড় হয়েছিল নেটদুনিয়া। সুস্মিতাকে ‘বেটার হাফ’ বলে সম্বোধন করে ললিতের সেই পোস্ট ঘিরে তৈরি হয়েছিল একাধিক প্রশ্ন। সেই সম্পর্কের গভীরতা, বিচ্ছেদ এবং সুস্মিতাকে নিয়ে ওঠা ‘গোল্ড ডিগার’ মন্তব্যের নেপথ্যের সত্যিটা নিয়ে এবার মুখ খুললেন খোদ ললিত মোদি।

‘হিউম্যানস অফ বম্বে’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ললিত অত্যন্ত খোলামেলাভাবে তাঁদের সম্পর্কের সমীকরণ ব্যাখ্যা করেছেন। দীর্ঘ সময় পর এই বিষয়ে মুখ খুলে ললিত স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সুস্মিতা কোনোভাবেই তাঁর ওপর অর্থনৈতিকভাবে নির্ভরশীল ছিলেন না। উল্টে অভিনেত্রী তাঁকে ‘ব্যবহার’ করেছেন—এই অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়ে বরং ললিত নিজের ‘অসহায়’ অবস্থার কথাই মজার ছলে তুলে ধরেছেন।

ললিত বলেন, “আমরা যখনই কোথাও গিয়েছি, একটা দিনও এমন যায়নি যেখানে আমাকে টাকা খরচ করতে হয়েছে। যাবতীয় খরচ সুস্মিতাই সামলাত। আমি বরং নিজেকে সেই সময় একজন ‘কেপ্ট বয়ফ্রেন্ড’ বলে মনে করতাম।”

উল্লেখ্য, সেই সময় ললিতের সঙ্গে সম্পর্কের কারণে সোশ্যাল মিডিয়ায় সুস্মিতাকে ‘গোল্ড ডিগার’ বলে তীব্র কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছিল। যদিও সুস্মিতা সেই সময় ঠোঁটকাটা জবাব দিয়ে বলেছিলেন, তিনি হিরেপ্রেমী এবং নিজের টাকাতেই হিরে কেনেন। ললিতের সাম্প্রতিক এই বক্তব্য যেন সুস্মিতার সেই সময়ের দাবিকেই মান্যতা দিল।

ললিত আরও জানান, সুস্মিতার মতো একজন স্বাধীনচেতা নারীকে নিয়ে এই ধরনের কুরুচিকর আক্রমণ বা ‘গোল্ড ডিগার’ তকমা দেওয়া মোটেও কাম্য ছিল না। দীর্ঘ চার বছর পর ললিত মোদির এই স্বীকারোক্তি যে সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন করে আলোচনার জন্ম দিল, তা বলাই বাহুল্য।