গরমের ছুটি শেষ! স্কুল খোলার আগে বড় নির্দেশিকা শিক্ষা দপ্তরের, কী কী করতে হবে জানুন

দীর্ঘ গরমের ছুটি কাটিয়ে অবশেষে রাজ্যের সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলি খুলছে। তবে ক্লাসে পা রাখার আগেই পড়ুয়াদের জন্য স্কুল চত্বরকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত ও পরিচ্ছন্ন করে তোলার নির্দেশ দিল পশ্চিমবঙ্গ স্কুল শিক্ষা দপ্তর। গত বৃহস্পতিবার এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এই সংক্রান্ত একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
স্কুল খোলার আগে যা যা করতে হবে:
রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, স্কুল খোলার আগে প্রধান শিক্ষক ও কর্তৃপক্ষকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হবে:
পরিচ্ছন্নতা অভিযান: প্রতিটি শ্রেণিকক্ষ, বারান্দা, বেঞ্চ ও আসবাবপত্র ধুয়ে-মুছে ব্যবহারযোগ্য করে তুলতে হবে।
বৈদ্যুতিক ও কারিগরি পরীক্ষা: স্কুলের ফ্যান, লাইট, কম্পিউটার এবং ল্যাবরেটরির সরঞ্জামগুলো ঠিকঠাক কাজ করছে কি না, তা পরীক্ষা করে নিতে হবে।
বর্ষা মোকাবিলা: স্কুল চত্বরে কোথাও যেন জল না জমে বা আগাছা জন্মাতে না পারে, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে।
স্বাস্থ্যবিধি: পড়ুয়াদের সুবিধার্থে নিরাপদ পানীয় জল এবং স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগারের ওপর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মিড-ডে মিলের গুণগত মানে বিশেষ নজর:
স্কুল খুললে মিড-ডে মিলের বিষয়ে কোনো আপস করা হবে না। শিক্ষা দপ্তরের নির্দেশিকা অনুযায়ী:
রান্নার জায়গা, বাসনপত্র ও খাওয়ার জায়গা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার ও অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে হবে।
মজুত করা চাল-ডাল বা খাদ্যশস্যের গুণগত মান পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক।
উপস্থিতি বাড়াতে উদ্যোগী সরকার:
প্রশাসনের মূল লক্ষ্য—স্কুল ছুটের সংখ্যা কমিয়ে পড়ুয়াদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনা। শিক্ষা দপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী, যদি কোনো স্কুলে উপস্থিতির হার কম থাকে, তবে তার আসল কারণ খুঁজে বের করে শিক্ষা দপ্তরে বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠাতে হবে।
স্কুলগুলো সেজে উঠলে এবং সুরক্ষিত পরিবেশ পেলে ছাত্র-ছাত্রীদের আগ্রহ বাড়বে বলেই মনে করছে প্রশাসন। নতুন ক্লাসে ফেরার জন্য প্রস্তুত তো?