পুজোয় ভুল করছেন না তো? এই ৪ জায়গায় প্রদীপ-ধূপ জ্বালালে সংসারে নেমে আসতে পারে ঘোর বিপদ!

বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, বাড়িতে ধূপ ও প্রদীপের ব্যবহার শুধু পবিত্রতাই বাড়ায় না, এটি ইতিবাচক শক্তির উৎস হিসেবেও কাজ করে। কিন্তু শাস্ত্র বলছে, এই পবিত্র কাজ করার সময় অজান্তেই আমরা এমন কিছু ভুল করে ফেলি, যা ডেকে আনে বাস্তুদোষ। সংসারের সুখ-শান্তি বজায় রাখতে প্রদীপ ও ধূপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই ৪টি নিয়ম অবশ্যই মেনে চলুন:

১. শৌচাগারের আশেপাশে:
অনেকেই বাথরুমের দুর্গন্ধ দূর করতে দরজার সামনে ধূপকাঠি জ্বালিয়ে রাখেন। কিন্তু বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, এটি চরম অশুভ। শৌচাগারের কাছাকাছি ধূপ বা প্রদীপ জ্বালালে বাড়িতে নেতিবাচক শক্তির প্রভাব বাড়ে এবং মারাত্মক বাস্তুদোষ তৈরি হয়।

২. সরাসরি মেঝের ওপর:
তাড়াহুড়োর সময় অনেকে সরাসরি মাটির ওপর বা মেঝের ফাটলে ধূপকাঠি গেঁথে দেন। শাস্ত্রমতে, সরাসরি মাটিতে ধূপ বা প্রদীপ রাখা ধরিত্রীদেবীর অসম্মান। তাই ধূপ ব্যবহারের সময় সবসময় উপযুক্ত ধূপদানি এবং প্রদীপ রাখার ক্ষেত্রে ছোট পিতলের প্লেট বা পরিষ্কার আসন ব্যবহার করা উচিত।

৩. পুজোর ঘটের ওপর:
অনেকেই পুজোর ঘটের ওপর সরাসরি ধূপকাঠি বা প্রদীপ রেখে দেন। বাস্তুশাস্ত্র মতে, এই অভ্যাসটি বাড়িতে অশুভ ছায়া ফেলে। এর ফলে পরিবারে অশান্তি ও কলহ বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই ঘটের ওপর সরাসরি এসব রাখা থেকে বিরত থাকুন।

৪. সিংহাসনের ফাঁকে বা ছিদ্রে:
কাঠের সিংহাসন বা পুজোর আসনের কোনো ফাঁক বা ছিদ্রের মধ্যে ধূপকাঠি গুঁজে রাখার অভ্যাস অনেকেরই আছে। বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে পারিবারিক শান্তি বিঘ্নিত হয়। প্রদীপ বা ধূপ ব্যবহারের সময় সবসময় তার নিচে একটি ছোট কাপড় বা প্লেট রাখা আবশ্যক।

সুখের সংসারে চাবিকাঠি:
ছোটখাটো এই বিষয়গুলো মেনে চললে বাস্তুদোষ থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব। ঘরকে অশুভ শক্তির হাত থেকে সুরক্ষিত রাখতে এবং জীবনে ধন-সম্পদ ও সুখের ধারা বজায় রাখতে আজ থেকেই আপনার পুজো করার পদ্ধতিতে এই পরিবর্তনগুলো নিয়ে আসুন।