গরমে সেদ্ধ দক্ষিণবঙ্গ! আজই কি মুক্তি? ৪ জেলায় কালবৈশাখীর সতর্কতা জারি হাওয়া অফিসের

মে মাসের শেষ লগ্নে এসেও দাবদাহে নাজেহাল দক্ষিণবঙ্গ। ভ্যাপসা গরম আর আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিতে নাভিশ্বাস উঠেছে শহর থেকে জেলাবাসীর। তবে এর মধ্যেই কিছুটা স্বস্তির খবর শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। আজ, শুক্রবার রাজ্যের ৪টি জেলায় কালবৈশাখীর সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
কোন ৪ জেলায় কালবৈশাখীর সতর্কতা? আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, আজ মূলত বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং পূর্ব বর্ধমান—এই চারটি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
গরম থেকে মুক্তি কবে? তবে সাধারণ মানুষের জন্য দুঃসংবাদ হলো, এই ঝড়-বৃষ্টি সাময়িকভাবে পারদ কিছুটা কমালেও, ভ্যাপসা গুমোট অস্বস্তি থেকে এখনই পুরোপুরি মুক্তি মিলছে না। হাওয়া অফিস সাফ জানিয়ে দিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গরমের দাপট বজায় থাকবে। সোমবার থেকে ঝড়-বৃষ্টির পরিধি বাড়লেও, দীর্ঘমেয়াদী স্বস্তির কোনো আশ্বাস এখনই নেই।
উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া: দক্ষিণবঙ্গের বিপরীত চিত্র উত্তরবঙ্গে। সেখানে কার্যত প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে। হাওয়া অফিসের আপডেট অনুযায়ী, আগামী বুধবার পর্যন্ত দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও কালিম্পং জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি রয়েছে। কিছু এলাকায় বন্যার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
সতর্কবার্তা: আবহাওয়া দপ্তর পরামর্শ দিয়েছে, কালবৈশাখীর সময় বাইরে থাকলে সুরক্ষিত আশ্রয়ে থাকতে। ঝড়ের সময় গাছ বা বিদ্যুতের খুঁটির নিচে না দাঁড়িয়ে নিরাপদ স্থানে অবস্থান করা জরুরি।
পাঠকদের প্রতি: দিনের তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা দুই-ই বেশি থাকায় শরীরে জলশূন্যতা এড়াতে প্রচুর পরিমাণে জল ও ওআরএস (ORS) খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। আপনার এলাকায় আকাশ কি এখন মেঘলা? কমেন্টে জানান।