শান্তি নাকি অশান্তি? শেষ দফার লড়াইয়ের আগে স্পর্শকাতর এলাকায় এনআইএ-র বিশেষ তদারকি!

রাজ্যে শেষ দফার ভোটের উত্তাপ এখন তুঙ্গে। আর এই অন্তিম মুহূর্তের মহারণের আগে কোনো রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ প্রশাসন। নির্বাচনের ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে রাজ্যের বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় বিশেষ তদারকি শুরু করল এনআইএ (National Investigation Agency)। মূলত নাশকতামূলক কার্যকলাপ রুখতে এবং অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতেই কেন্দ্রীয় এজেন্সির এই বিশেষ সক্রিয়তা।
কেন হঠাৎ NIA-র তদারকি?
গোয়েন্দা সূত্রের খবর, গত কয়েক দফায় রাজ্যে বিক্ষিপ্ত হিংসার খবর পাওয়া গিয়েছে। তবে শেষ দফায় যাতে কোনো বড়সড় অঘটন না ঘটে, তার জন্য আগেভাগেই কোমর বেঁধে নামছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।
-
বিস্ফোরক উদ্ধার ও হানা: সীমান্ত সংলগ্ন জেলা এবং বিগত দিনে গোলমাল হওয়া এলাকাগুলোতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
-
গোয়েন্দা তথ্য: বেশ কিছু জায়গায় বহিরাগতদের আনাগোনা এবং সন্দেহজনক লেনদেনের খবর মিলেছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে দাবি।
-
নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে স্পর্শকাতর বুথ ও এলাকাগুলোতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি এনআইএ-র বিশেষ নজরদারি দল নজর রাখছে।
উত্তপ্ত বাংলার রাজনৈতিক আঙিনা
শেষ দফার ভোটে একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হতে চলেছে। বিশেষ করে উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকা এবং কলকাতার একাংশে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় এজেন্সির এই সক্রিয়তা ভোটারদের মনে আত্মবিশ্বাস জোগাতে পারে, যদিও একে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ বলে পাল্টা সরব হয়েছে শাসকদল।
অজানা তথ্য: নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ড্রোন নজরদারির পাশাপাশি এবার সিভিল পোশাকে কয়েক হাজার গোয়েন্দা আধিকারিক মোতায়েন করা হয়েছে।
সাধারণ মানুষের করণীয়
ভোট দিতে যাওয়ার আগে ভোটারদের নির্ভয় থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে। কোনো এলাকায় সন্দেহজনক কিছু দেখলে তৎক্ষণাৎ নিকটস্থ পুলিশ ক্যাম্প বা কন্ট্রোল রুমে জানানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।