স্কুলের ল্যাবে শিক্ষিকাকে জাপটে ধরে ওঝাটে চুমু! বাথিন্দায় গণিত শিক্ষকের কুকীর্তিতে ছিঃ ছিঃ ধিক্কার!

পাঞ্জাবের বাথিন্দায় স্কুল ক্যাম্পাসের ভেতরেই এক নারী শিক্ষিকাকে যৌন হেনস্থার অভিযোগে উত্তাল গোটা এলাকা। খোদ সহকর্মী গণিত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি ও খুনের হুমকির অভিযোগ তুলে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন নির্যাতিতা বিজ্ঞান শিক্ষিকা। ঘটনার ভয়াবহতা দেখে স্তম্ভিত সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে প্রশাসন।
ল্যাবে ডেকে নিয়ে পাশবিক আচরণ
নির্যাতিতা শিক্ষিকা পুলিশকে দেওয়া জবানবন্দিতে জানিয়েছেন, স্কুলের বিজ্ঞান ল্যাবে আলমারির তাক মেরামতির জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তিনি এবং অভিযুক্ত গণিত শিক্ষক দুজনেই সেই কমিটির সদস্য ছিলেন। ঘটনার দিন অভিযুক্ত শিক্ষক তাঁকে আলমারির সমস্যা দেখানোর বাহানায় ল্যাবে ডেকে নিয়ে যান।
নির্যাতিতা শিক্ষিকার বয়ান অনুযায়ী:
“ল্যাবে যাওয়ার পর তিনি হঠাৎই আমাকে পার্টির কথা বলেন। আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই তিনি আমাকে জাপটে ধরেন। আমার গলা টিপে ধরে জোর করে দুবার চুমু খান। আমি কান্নাকাটি শুরু করলে আমার মুখ চেপে ধরেন এবং অশালীন কাজ করতে শুরু করেন।”
“আমার খেলা শেষ” — চরম ঔদ্ধত্য ও হুমকি
অভিযোগ উঠেছে, ওই শিক্ষক হেনস্থা করার সময় দম্ভের সাথে বলেন, “আমার খেলা শেষ।” শুধু তাই নয়, শিক্ষিকা কোনওরকমে নিজেকে ছাড়িয়ে ল্যাব থেকে বেরিয়ে আসার সময় অভিযুক্ত শিক্ষক তাঁকে হুমকি দেন যে, এই বিষয়ে কাউকে কিছু জানালে এর ফল অত্যন্ত ভয়ানক হবে।
সহকর্মীদের সাহায্যে পুলিশের দ্বারস্থ
প্রাথমিকভাবে আতঙ্কে ও লজ্জায় কাউকে কিছু না বললেও, পরে স্কুলের অন্যান্য মহিলা সহকর্মীদের সব কথা জানান নির্যাতিতা। তাঁদের সাহসেই পরিবারের সঙ্গে কথা বলে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, অনধিকার প্রবেশ এবং হুমকির অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছে।
স্কুলের মতো পবিত্র জায়গায় যেখানে নারীদের নিরাপত্তা পাওয়ার কথা, সেখানে এক সিনিয়র শিক্ষকের এমন আচরণে ক্ষোভে ফুঁসছে শিক্ষামহল। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি উঠেছে।