“দেবের ওপর আমার অন্ধবিশ্বাস আছে!” কামব্যাক করেই কেন এমন মন্তব্য করলেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য?

টলিপাড়ায় দীর্ঘদিনের ‘ব্যান’ বা নিষিদ্ধ করার প্রথার অবসান ঘটতে চলেছে। রাহুল চক্রবর্তীর অকালমৃত্যুর পর ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, তা কাটাতে এবার কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে সংগঠনগুলি। আর এই নতুন আবহে বড় পর্দায় রাজকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটছে অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্যের। সৌজন্যে সুপারস্টার দেব এবং তাঁর আগামী ছবি ‘দেশু ৭’ (Deshu 7)।
আবেগঘন অনির্বাণ:
দীর্ঘদিন পর কামব্যাক নিয়ে মুখ খুললেন অনির্বাণ। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “এটা দেব-শুভশ্রীর সিনেমা। এই জনপ্রিয় জুটিকে আবার পর্দায় দেখার জন্য দর্শকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। সেই ছবিতে আমি একজন অভিনেতা হিসেবে যুক্ত হতে পেরেছি, এটাই আমার কাছে বড় পাওনা।”
বৃত্ত সম্পূর্ণ হওয়া:
অনির্বাণের কেরিয়ারের শুরুটা হয়েছিল দেবের সঙ্গেই। সেই স্মৃতি হাতড়ে অভিনেতা জানান, “দেবের প্রথম পরিচালিত ছবিতে আমি থাকছি। মজার ব্যাপার হলো, আমার প্রথম ছবি ‘আরশিনগর’-এও আমি দেবের সঙ্গেই কাজ করেছিলাম। এটা যেন একটা বৃত্ত সম্পন্ন হওয়ার মতো বিষয়।” পাশাপাশি শুভশ্রীর সঙ্গে প্রথমবার কাজ করার ইচ্ছাপূরণ নিয়েও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তিনি।
দেবের ওপর অগাধ ভরসা:
‘দেশু ৭’-এ অনির্বাণের চরিত্রটি কেমন হতে চলেছে? অভিনেতা বলেন, “দেবের ওপর আমার সম্পূর্ণ বিশ্বাস আছে। নিশ্চিতভাবেই কোনও চমৎকার চরিত্র বা অভিনয়ের বড় সুযোগ ভেবেই ওরা আমাকে ডেকেছে। ছবির ঘোষণা হয়ে গিয়েছে, এবার দ্রুত শ্যুটিং শুরুর অপেক্ষা।”
ব্যান কালচার নিয়ে স্পষ্ট বার্তা:
ইন্ডাস্ট্রিতে নিষিদ্ধ করার প্রবণতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অনির্বাণ কিছুটা সাবধানী সুরেই জানান, “আর্টিস্ট ফোরাম এবং ফেডারেশন এই সমস্যা মেটানোর কাজ করছে। আমি এই ধরনের বৈঠকে থাকি না, তাই বিস্তারিত বলতে পারব না। তবে আপাতত আমার লক্ষ্য হলো ছবিতে নিজের সেরাটা দেওয়া।”
রাহুলের মৃত্যুর পর একদিকে যেমন ব্যান কালচার বন্ধ করার দাবি জোরালো হয়েছে, অন্যদিকে অনির্বাণের মতো তুখোড় অভিনেতাকে পর্দায় ফিরিয়ে আনা দেবের এক মাস্টারস্ট্রোক বলেই মনে করছে টলি-পাড়া।