নববর্ষের শেষপাতে চমক! দোকানের মিষ্টি ছেড়ে বাড়িতেই বানান রাজকীয় ‘নারকেলের রাবড়ি’

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ, আর সেই উৎসবের তালিকায় যদি পয়লা বৈশাখ থাকে, তবে তো ভুরিভোজ মাস্ট! আর ভোজের শেষপাতে একটু মিষ্টিমুখ না হলে যেন সবটাই অপূর্ণ থেকে যায়। দোকান থেকে কেনা রসগোল্লা বা সন্দেশ তো সবসময়ই থাকে, তবে এবার নতুন বছরে অতিথি আপ্যায়নে যদি একটু ভিন্ন স্বাদ আনতে চান, তবে আপনার তুরুপের তাস হতে পারে ‘নারকেলের রাবড়ি’ বা ‘নারকেলের পায়েস’। প্রথাগত মিষ্টান্ন খেতে খেতে যারা কিছুটা একঘেয়েমি অনুভব করছেন, তাঁদের জন্য এটি একটি দুর্দান্ত বিকল্প। নারকেলের স্বাভাবিক মিষ্টতা আর ঘন দুধের সুবাস মিলেমিশে এই পদটিকে করে তোলে অনন্য।
নারকেলের রাবড়ি বানানো যেমন সহজ, তেমনই এটি তৈরিতে সময় লাগে খুব কম। যারা রান্নায় খুব একটা পটু নন, তাঁরাও চটজলদি এই রাজকীয় মিষ্টান্নটি তৈরি করে সবাইকে চমকে দিতে পারেন। নিচে রইল এই সুস্বাদু পদের সহজ প্রণালী।
উপকরণ:
ফুল-ক্রিম দুধ: ১ লিটার
শুকনো নারকেল কোরা (Desiccated coconut): ১ কাপ
চিনি: হাফ কাপ (স্বাদমতো)
এলাচ গুঁড়ো: হাফ চা-চামচ
কাঠবাদাম ও পেস্তা কুচি: সাজানোর জন্য
প্রস্তুত প্রণালী:
প্রথমে একটি ভারী তলাযুক্ত পাত্রে দুধ নিয়ে আঁচ কমিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন। খেয়াল রাখবেন যেন দুধ তলায় লেগে না যায়, তাই অনবরত নাড়তে হবে। দুধ ফুটে কিছুটা ঘন হয়ে এলে এতে কোরানো নারকেল যোগ করুন। মিশ্রণটি ভালোভাবে মিশিয়ে মৃদু আঁচে ৫-৭ মিনিট ফোটান, যাতে নারকেলের নির্যাস দুধের সঙ্গে মিশে যায়। এবার চিনি ও এলাচ গুঁড়ো দিয়ে নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না চিনি পুরোপুরি গলে যায়। মিশ্রণটি ঘন হয়ে এলে আঁচ নিভিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। এরপর একটি পাত্রে ঢেলে অন্তত ২-৩ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিন। পরিবেশনের আগে ওপর থেকে বাদাম কুচি ছড়িয়ে দিন। ব্যস, তৈরি আপনার নববর্ষের স্পেশাল নারকেলের রাবড়ি!