রাতের কলকাতায় ফের রক্তপাত! ব্রিগেডের সামনে লরির ধাক্কায় রক্তাক্ত ডেলিভারি বয়, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

রাতের কলকাতায় ফের ঝরল রক্ত। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডের সামনে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি লরির পিছনে সজোরে ধাক্কা মারল এক ডেলিভারি এজেন্টের বাইক। গুরুতর আহত অবস্থায় একবালপুরের বাসিন্দা মহম্মদ অয়নকে উদ্ধার করে এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা? প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, রাস্তার ওপর যত্রতত্র মাটির ঢিবি করে রাখা ছিল। অন্ধকারের মধ্যে সেই মাটির স্তূপ লক্ষ্য না করতে পেরেই বাইকটি নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং সামনে থাকা লরির পিছনে গিয়ে ধাক্কা মারে। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়।

দুর্ঘটনার পর পুলিশের ‘তৎপরতা’: দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর টনক নড়েছে পুলিশের। স্থানীয়দের অভিযোগ, যে মাটির ঢিবির কারণে এই দুর্ঘটনা, ঘটনার ঠিক পরেই সেখানে তড়িঘড়ি গার্ডরেল বসায় পুলিশ। প্রশ্ন উঠছে, কেন আগে থেকে ওই বিপজ্জনক এলাকায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি?

  • পুলিশ খতিয়ে দেখছে বাইকের গতিবেগ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ছিল কি না।

  • রাস্তার ওপর এভাবে মাটির স্তূপ কে বা কারা রেখেছিল, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

অতীতের ছায়া: রাতের কলকাতায় বেপরোয়া গতি এবং রাস্তার অব্যবস্থার কারণে প্রাণহানি নতুন নয়। উল্লেখ্য, গত বুধবারই বহরমপুরে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর কনভয়ে লরি ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছিল, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে। ঠিক তার কয়েক দিনের মধ্যেই খাস কলকাতায় এই দুর্ঘটনা শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল।

এডিটরস নোট: ডেলিভারি এজেন্টরা সময়ের মধ্যে খাবার পৌঁছে দেওয়ার চাপে অনেক সময়ই দ্রুত গতিতে গাড়ি চালান। কিন্তু রাস্তার ওপর প্রশাসনিক নজরদারির অভাব বা মাটির স্তূপের মতো বাধা কেন সরানো হয়নি, সেই দায় কি পুলিশ এড়াতে পারে? মহম্মদ অয়নের অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক।