“বাস-ট্রাম করেই যাতায়াত”-রিক্সায় চড়লেন স্বস্তিকা, কেন হঠাৎ বিমর্ষ অভিনেত্রী?

কোনোদিন অটোয় চেপে মুম্বইয়ের রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো, তো কোনোদিন গড়িয়াহাটের মোড়ে দাঁড়িয়ে সাধারণের মতো নাইটি কেনা— স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় বরাবরই অন্য ধাঁচের। এবার নিজের গাড়ির ড্রাইভার না থাকায় কোনো লাক্সারি ক্যাব নয়, বরং রিকশা আর পাবলিক ট্রান্সপোর্টকেই বেছে নিলেন তিনি। তাও আবার নিজেরই ছবির স্ক্রিনিংয়ে যাওয়ার জন্য!
রিকশা থেকে মেট্রো: সাধারণের ভিড়ে মিশে গেলেন নায়িকা
এদিন একটি সাদা পোশাকে, একদম ‘নো মেকআপ’ লুকে দেখা গেল অভিনেত্রীকে। গলায় হার আর কানে দুল— এই সাদামাটা সাজেই তিনি রিকশায় উঠে ভিডিও করলেন। পরিচালক গাড়ি পাঠাতে চাইলেও স্বস্তিকা তা প্রত্যাখ্যান করেন। তাঁর যুক্তি ছিল, জ্যামে আটকে যাওয়ার চেয়ে রিকশা আর মেট্রো অনেক বেশি সুবিধাজনক। স্বস্তিকার কথায়, “আমি জীবনটাকে আরও সহজভাবে যাপন করার চেষ্টা করছি। রোজ যদি পাবলিক ট্রান্সপোর্টে যাতায়াত করি, তবে আমাকে দেখার অভ্যাসও মানুষের হয়ে যাবে, কেউ আর বিরক্ত করবে না।”
ইন্ডাস্ট্রির প্রতি জমাট ক্ষোভ
ভিডিওর ক্যাপশনে কিন্তু ঝরল অভিমান আর রাগ। সম্প্রতি অভিনেতা রাহুলের আকস্মিক মৃত্যুতে ইন্ডাস্ট্রির একাংশের উদাসীনতা মেনে নিতে পারেননি স্বস্তিকা। ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি লেখেন:
“যে ইন্ডাস্ট্রিতে জীবনের কোনও দাম নেই, কাজ করতে করতে একজন শিল্পী মারা গেলে সবাই ঘাড় থেকে নামিয়ে ফেলতে পারলে বাঁচে, সেখানে আর নিজেদের পিঠ চাপড়া-চাপড়ি করা যায় না।”
“বিএমডব্লিউ-তে নামি না বলে কাজ না দিলে দেবে না”
নিজেকে কোনোদিন ‘স্টার’ ভাবেননি এবং ভাবতেও চান না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। স্বস্তিকার স্পষ্ট কথা, “আমি হিরোইন বলেই বাস, ট্রাম বা রিকশায় যাতায়াত করব। এই দেখে যদি কেউ আমায় কাজ না দেয়, তবে দেবে না। আজ বলতে কাল কেওড়াতলায় চলে যাব, এত ভেবে লাভ নেই।”