পয়লা বৈশাখেই বদলে যাবে ভাগ্য! সারা বছর কাঙাল হতে না চাইলে বৈশাখে ভুলেও করবেন না এই ৫ কাজ

দরজায় কড়া নাড়ছে বাঙালির প্রাণের উৎসব— পয়লা বৈশাখ। বঙ্গাব্দের প্রথম মাস মানেই নতুন আশা আর নতুন সংকল্প। কিন্তু আপনি কি জানেন, শাস্ত্র মতে বৈশাখ মাসের গুরুত্ব অপরিসীম? বিশ্বাস করা হয়, বছরের প্রথম মাসের আচার-আচরণ ঠিক না থাকলে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে পরবর্তী ১১টি মাসের ওপর। নিজের ও পরিবারের শ্রীবৃদ্ধি চাইলে এই মাসে কোন ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন? দেখে নিন একঝলকে:
১. বেলার দিকে ঘুম থেকে ওঠা নয়:
নতুন বছর মানেই আলস্য ত্যাগের সময়। শাস্ত্রমতে, বৈশাখে যারা সূর্যোদয়ের পরেও দীর্ঘক্ষণ ঘুমিয়ে থাকেন, তাঁদের ওপর দেবী লক্ষ্মী রুষ্ট হন। ভোরের স্নিগ্ধতায় দিন শুরু করলে শরীরে যেমন পজিটিভ এনার্জি বজায় থাকে, তেমনই বাড়ে মানসিক সার্থকতা।
২. আহারে আসুক সংযম:
বছরের শুরুতেই শরীর ও মনকে শুদ্ধ রাখা প্রয়োজন। বৈশাখ মাসে যতটা সম্ভব সাত্ত্বিক খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেয় শাস্ত্র। অতিরিক্ত আমিষ বা গুরুপাক খাবার এড়িয়ে চলাই মঙ্গল। মনে রাখবেন, এই মাসে জিভের ওপর নিয়ন্ত্রণই হলো সাফল্যের চাবিকাঠি।
৩. দিবানিদ্রা এড়িয়ে চলুন:
অত্যধিক ক্লান্তি বা অসুস্থতা না থাকলে বৈশাখের দুপুরে ঘুমোনো শাস্ত্রমতে শুভ নয়। মনে করা হয়, এতে শরীরে নেতিবাচক প্রভাব ও অলসতা বাড়ে। বছরের প্রথম থেকেই নিজেকে কর্মতৎপর রাখলে ভাগ্য সহায় হয়।
৪. জল অপচয় মানেই অমঙ্গল:
বৈশাখ মানেই কাঠফাটা রোদ আর তীব্র দহন। এই সময় তৃষ্ণার্তকে জল পান করানোই হলো সবথেকে বড় ধর্ম। অকারণে জল নষ্ট করা এই মাসে বড় ‘দোষ’ হিসেবে গণ্য হয়। সম্ভব হলে বাড়ির সামনে বা ছাদে সরা ভর্তি জল রাখুন পশুপাখিদের জন্য, এতেই ফিরবে আপনার ভাগ্য।
৫. অক্ষয় তৃতীয়ার পুণ্য লাভ:
এই বৈশাখ মাসেই পড়ে অক্ষয় তৃতীয়ার মতো মাহেন্দ্রক্ষণ। নতুন কোনও কাজ শুরু বা সোনা-রুপো কেনার জন্য এই দিনটি শ্রেষ্ঠ। এছাড়া এই গরমে সামর্থ্য অনুযায়ী ছাতা বা পাখা দান করলে বিশেষ মানসিক শান্তি ও পুণ্য পাওয়া যায় বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র।