Weather: ৬০ কিমি বেগে কালবৈশাখীর আশঙ্কা, শিল পড়তে পারে বাংলার এই ১২ জেলায়

কলকাতা: চৈত্রের খরতাপ কোথায়? উল্টে ঝোড়ো হাওয়া আর বজ্রগর্ভ মেঘে কাঁপছে গোটা বাংলা। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ শুক্রবার বিকেলের পর থেকেই কলকাতায় ঘণ্টায় প্রায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সঙ্গে থাকবে প্রবল বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি। গত কয়েকদিনের বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিতে শহর ভিজলেও, আসল দুর্যোগ বোধহয় এখনও বাকি!

১২ জেলায় শিলাবৃষ্টির সতর্কতা শুধুমাত্র কলকাতাই নয়, দক্ষিণবঙ্গের ১২টি জেলায় জারি করা হয়েছে শিলাবৃষ্টির হাই-অ্যালার্ট। হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা থেকে শুরু করে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও মেদিনীপুরে আকাশ ভাঙা বৃষ্টির পাশাপাশি ধেয়ে আসবে দমকা হাওয়া। কোথাও কোথাও হাওয়ার গতিবেগ ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা আবহবিদদের। বঙ্গোপসাগর থেকে আসা প্রচুর পরিমাণ জলীয় বাষ্পই এই অস্থির পরিস্থিতির মূল কারণ।

উত্তাল সমুদ্র, লাল সতর্কতা উপকূলে উপকূলবর্তী এলাকায় ঝোড়ো হাওয়ার দাপট সবথেকে বেশি। দিঘা, মন্দারমণি বা বকখালির মতো পর্যটন কেন্দ্রে ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইছে। এই উত্তাল পরিস্থিতিতে শুক্রবার ও শনিবার মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ায় সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন।

উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির দাপট পিছিয়ে নেই উত্তরবঙ্গও। দার্জিলিং, কালিম্পং থেকে কোচবিহার—সবত্রই ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। হিমালয় সংলগ্ন জেলাগুলোতে সোমবার পর্যন্ত এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ বজায় থাকতে পারে।

রবিবার থেকে হাওয়ার দাপট কিছুটা কমলেও, সপ্তাহের শুরু পর্যন্ত বৃষ্টির হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না রাজ্যবাসী। সাধারণ মানুষকে বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।