হোটেল বন্ধ হলে খাব কী? যুদ্ধের জেরে এলপিজি সংকটে অনিশ্চিত কয়েক হাজার কর্মীর ভবিষ্যৎ

ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় দেশে তৈরি হয়েছে তীব্র এলপিজি (LPG) সংকট। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে জলপাইগুড়ির হোটেল ও রেস্তরাঁ শিল্পে। চাহিদার তুলনায় অর্ধেক সিলিন্ডারও মিলছে না বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইতিমধ্যেই মেনু থেকে তন্দুর সহ একাধিক জনপ্রিয় পদ বাদ দিতে বাধ্য হয়েছে শহরের নামী রেস্তরাঁগুলি।

উদ্বেগ ও ভবিষ্যৎ: হোটেল ব্যবসায়ী ও ম্যানেজারদের মতে, গ্যাসের জোগান না বাড়লে অচিরেই ঝাঁপ বন্ধ করতে হবে। জলপাইগুড়ির রেস্তরাঁ কর্মী হরি রায়ের কথায়, “দোকান বন্ধ হলে আমরা যাব কোথায়? মালিক কী করবেন বুঝতে পারছি না।” শুধু বড় রেস্তরাঁ নয়, রাজু দে-র মতো ছোট চায়ের দোকানিরাও কমার্শিয়াল গ্যাস না পেয়ে দোকান বন্ধের প্রহর গুনছেন। ব্যবসায়ীদের আর্জি, সরকার যেন দ্রুত এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত হাজার হাজার পরিবারের অন্নসংস্থানের কথা ভেবে পদক্ষেপ নেয়।