বিজয়ের সঙ্গে কি তবে নতুন জীবন? পুরনো বিয়ে ভাঙার আসল কারণ এবার ফাঁস করলেন তৃষা!

দক্ষিণী সিনেমার মেগাস্টার থালাপথি বিজয় এবং তৃষা কৃষ্ণান— এই দুই নাম এখন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে চেন্নাইয়ের চায়ের দোকান, সব জায়গার হট টপিক। সম্প্রতি এক প্রযোজকের ছেলের বিয়েতে এই জুটির গ্র্যান্ড এন্ট্রি যেন তাঁদের প্রেমের গুঞ্জনে সিলমোহর দিয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে বিজয়ের স্ত্রী সঙ্গীতা বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করার পর থেকেই জল্পনা তুঙ্গে যে, পর্দার এই জনপ্রিয় জুটি এবার বাস্তবেও সাতপাকে বাঁধা পড়তে পারেন। তবে এই ঝোড়ো হাওয়ার মাঝেই ফিরে এসেছে তৃষার জীবনের এক পুরনো বিচ্ছেদের গল্প। কেন বিয়ের পিঁড়ি পর্যন্ত পৌঁছেও শেষমেশ একলা চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি?

২০১৫ সালে চেন্নাইয়ের ব্যবসায়ী বরুণ মানিয়ানের সঙ্গে ধুমধাম করে আংটি বদল করেছিলেন তৃষা। কিন্তু কয়েক মাস পরেই সেই বিয়ে ভেঙে যায়। সেই সময় নানা কথা রটলেও পরে তৃষা এক সাক্ষাৎকারে জানান, পেশা আর ব্যক্তিগত জীবনের সংঘাতের কারণেই তিনি সরে দাঁড়িয়েছিলেন। তৃষা স্পষ্ট বলেছিলেন, “যাকে বিয়ে করার কথা ছিল, সে চেয়েছিল আমি অভিনয় ছেড়ে দিই। কিন্তু আমি অভিনয়কে বেছে নিয়েছি। জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আমি এই ইন্ডাস্ট্রিতেই থাকতে চাই।” নিজের কেরিয়ারের প্রতি এই অগাধ ভালোবাসাই তাঁর সেই সম্পর্ক ভাঙার মূল কারণ ছিল।

দীর্ঘ ১৫ বছর পর ‘লিও’ ছবিতে বিজয়ের সঙ্গে ফিরেই বক্স অফিসে ঝড় তুলেছেন তৃষা। তবে বিজয় যখন নিজের রাজনৈতিক দল ‘তামিলগা ভেট্টি কাঝাগাম’ নিয়ে ব্যস্ত, ঠিক তখনই তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কাঁটাছেঁড়া শুরু হয়েছে। সম্প্রতি অভিনেতা পার্থিবনের একটি বেফাঁস মন্তব্য তৃষাকে মেজাজ হারাতেও বাধ্য করেছে। পার্থিবন রসিকতা করে বলেছিলেন, তৃষাকে বাড়িতে আটকে রাখা উচিত। যার কড়া জবাব দিয়ে তৃষা বুঝিয়ে দেন, তিনি কারো রক্তচক্ষুকে পরোয়া করেন না। বিজয়ের বিচ্ছেদ আর তৃষার সঙ্গে তাঁর নাম জড়ানো নিয়ে এখন উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া, যদিও দুই তারকার কেউই সরাসরি মুখ খোলেননি।