সাত জেলার নির্বাচনী আধিকারিককে তীব্র ভর্ৎসনা; ‘শাস্তি পেতে হবে’, হুঁশিয়ারি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

জাতীয় নির্বাচন কমিশনের মতে, পশ্চিমবঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচনের জন্য যে অনুকূল পরিবেশ দরকার, তার বর্তমানে অভাব রয়েছে। গত তিন মাসের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির রিপোর্ট খতিয়ে দেখে কমিশনের শীর্ষ কর্তারা স্তম্ভিত।
বৈঠকের প্রধান দিকগুলি:
-
সাত জেলাকে তিরস্কার: আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, মালদা, মুর্শিদাবাদ, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমানের নির্বাচনী আধিকারিকদের (DEO) কাজে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছে কমিশন। নির্দেশিকা মানতে কেন ব্যর্থ হয়েছেন তাঁরা, সেই প্রশ্ন তুলে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে যে আদৌ তাঁদের ভোটের কাজে ব্যবহার করা যাবে কি না।
-
সিইসি-র হুঁশিয়ারি: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার স্পষ্ট জানিয়েছেন, “কেউ কমিশনের স্ক্যানারের বাইরে নেই। ভুল করলে শাস্তি পেতেই হবে।” তিনি আরও বলেন যে, আধিকারিকদের গাফিলতির দায় কমিশন নেবে না।
-
বিনীত গোয়েলকে বাধা: সূত্রের খবর, আইন-শৃঙ্খলা প্রসঙ্গে কথা বলতে চাইলে এডিজি (আইন-শৃঙ্খলা) বিনীত গোয়েলকে মাঝপথেই থামিয়ে দিয়ে বসিয়ে দেন সিইসি। যা প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।
-
নোডাল এজেন্সিকে নির্দেশ: রাজ্যের ২৫টি নোডাল এজেন্সিকে অবিলম্বে কঠোরভাবে কমিশনের গাইডলাইন মেনে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।