১২ বছরে বদলেছে ভারত! পেট্রোল থেকে মোবাইল, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে উঠে এল দেশের অবিশ্বাস্য সাফল্যের খতিয়ান

দেশের গত ১২ বছরের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এনডিএ নেতাদের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, ২০১৪ সালের তুলনায় বর্তমান ভারত সব ক্ষেত্রেই আত্মনির্ভরতার পথে অনেক এগিয়েছে। দেশের প্রতিটি মানুষের প্রয়োজনকে মাথায় রেখেই গত ১২ বছরে নেওয়া হয়েছে যুগান্তকারী নীতি ও সিদ্ধান্ত।

কী কী ক্ষেত্রে বড় বদল এল?

  • মোবাইল ম্যানুফ্যাকচারিং: ২০১৪ সালে অধিকাংশ মোবাইল ফোন বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতো। বর্তমানে ভারতেই ৩৩ কোটির বেশি মোবাইল হ্যান্ডসেট তৈরি হচ্ছে।

  • সৌরবিদ্যুৎ: ২০১৪ সালে দেশের সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছিল মাত্র ২.৫ গিগাওয়াট, যা আজ ১৫০ গিগাওয়াট ছাড়িয়েছে।

  • ইথানল মিশ্রণ: জ্বালানি সাশ্রয়ে বড় সাফল্য এসেছে। পেট্রোলে ইথানল মিশ্রণের হার ১.৫ শতাংশ থেকে বেড়ে বর্তমানে ২০ শতাংশে পৌঁছেছে।

  • সেমিকন্ডাক্টর: একসময় দেশে একটিও সেমিকন্ডাক্টর ইউনিট ছিল না, আজ ১০টিরও বেশি ইউনিট নির্মাণাধীন, যা ভারতকে আধুনিক প্রযুক্তির জগতে শক্তিশালী করে তুলেছে।

অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, উন্নয়নের এই যাত্রায় যেন সমাজের শেষ ব্যক্তিটিও পিছিয়ে না থাকে। যুব সমাজের দক্ষতা বৃদ্ধিতে ‘মিনিস্ট্রি অফ স্কিল ডেভেলপমেন্ট’, সমবায় ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করতে পৃথক ‘সমবায় মন্ত্রক’ এবং মৎস্যজীবীদের জন্য পৃথক মন্ত্রক গঠনের কথা তুলে ধরেন তিনি।

দিব্যাঙ্গদের জন্য নতুন আইন প্রণয়ন থেকে শুরু করে আদিবাসীদের জন্য ‘জনমন’ প্রকল্প, পথবিক্রেতাদের জন্য ‘স্বনিধি’ ঋণ সুবিধা এবং পশুপালক ও মৎস্যজীবীদের কিষান ক্রেডিট কার্ডের আওতায় নিয়ে আসা— সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপই যে আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্যকে শক্তিশালী করেছে, তা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বারবার ফুটে উঠেছে।